আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার ( রাত ১২:৩৬ )
  • ২০শে আগস্ট, ২০১৯ ইং
  • ১৯শে জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
  • ৬ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( শরৎকাল )

Archive Calendar

আগস্ট ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
কক্সবাজার

অরক্ষিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প

26views

কৌশলে ক্যাম্প ছাড়ছে রোহিঙ্গারা

রোহিঙ্গাদের আশ্রিত ৩০টি ক্যাম্প অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসানচরে যেভাবে নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে, উখিয়া টেকনাফের ওইসব আশ্রয় শিবিরগুলোতে তা নেই। ৩০টি ক্যাম্পে কাঁটাতারের ঘেরা বা বাউন্ডারি দেয়াল না থাকায় রাতের বেলায় শিবির অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ছে সন্ত্রাসী-ডাকাত ও অস্ত্রধারী রোহিঙ্গা জঙ্গীরা। এতদিন যারা পাহাড়ে অবস্থান করেছিল, প্রশাসনের ভয়ে তারা সবাই বর্তমানে ক্যাম্পে ঢুকে পড়েছে বলে জানা গেছে।

আশ্রিত ক্যাম্প ছেড়ে কে কোথায় যাচ্ছে, কে ঢুকছে এবং কোন শেডে রাত যাপন করছে, তা মোটেও অবগত নন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। লাখ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে কয়েকজন সন্ত্রাসী জায়গা করে নিলেও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করে না রোহিঙ্গারা। এক ক্যাম্প থেকে অন্য ক্যাম্পে অনায়াসে যাতায়াত করছে তারা। রোহিঙ্গাদের অত্যাচারে স্থানীয়দের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে বিলম্ব হলে আপাতত সকল রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নতুবা অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কাঁটাতারের ঘেরাবিহীন খোলামেলা আশ্রয় শিবিরে লাখ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এছাড়াও প্রায় ২৭বছর ধরে টেকনাফ ও উখিয়ার দুইটি শরণার্থী শিবিরে আশ্রিত রয়েছে ১৯৯২ সালে অনুপ্রবেশ করা প্রায় ৫০ হাজার রোহিঙ্গা। ওইসময় প্রত্যাবাসিত প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গা ফের অনুপ্রবেশ করে রেজিস্টারবিহীন অবস্থায় থাকে। এছাড়াও গ্রামেগঞ্জে ঢুকে পড়া রোহিঙ্গার সংখ্যা হচ্ছে দুই লাখের বেশি। এরপর ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর অনুপ্রবেশ করেছে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা। আশ্রয় শিবিরগুলোতে প্রায় ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাস করছে। ওই ক্যাম্পগুলোর চতুর্দিকে কোন ধরনের বেড়া নেই। যেখানে ইচ্ছে যাতায়াত করছে রোহিঙ্গারা। প্রতিনিয়ত ক্যাম্প ত্যাগ করছে তারা। দেশের কোথাও ওই রোহিঙ্গা ধরা পড়লে তাদের ফের পাঠানো হচ্ছে আশ্রয় শিবিরে। এ কারণে তাদের মনে কোন ধরনের ভীতি থাকে না। আটক হওয়ার পর ওসব রোহিঙ্গাকে মামলা ঠুকে দিয়ে কারাগারে পাঠালে এবং সাজা ভোগ শেষে মিয়ানমারের বাহিনীর হাতে সোপর্দ করার ব্যবস্থা নেয়া হলে হয়তো ভয়ে ক্যাম্প ত্যাগ করা থেকে বিরত থাকত তারা।

১ Comment

Comments are closed.