1. arif.arman@gmail.com : Daily Coxsbazar : Daily Coxsbazar
  2. dailycoxsbazar@gmail.com : ডেইলি কক্সবাজার :
  3. litonsaikat@gmail.com : ডেইলি কক্সবাজার :
  4. shakil.cox@gmail.com : ডেইলি কক্সবাজার :
  5. info@dailycoxsbazar.com : ডেইলি কক্সবাজার : Daily ডেইলি কক্সবাজার
আয়ের একমাত্র উৎস বন্ধে উপকূলে উদ্বেগ - Daily Cox's Bazar News
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
নোটিশ ::
ডেইলি কক্সবাজারে আপনার স্বাগতম। প্রতি মূহুর্তের খবর পেতে আমাদের সাথে থাকুন।

আয়ের একমাত্র উৎস বন্ধে উপকূলে উদ্বেগ

ডেইলি কক্সবাজার ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ২০ মে, ২০১৯
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে
??????????, ???, ?????, ???????, Rtvonline, sea, fish

দেশের সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সুরক্ষায় বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। আজ (২০ মে) থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে। শেষ হবে চলতি বছর ২৩ জুলাই। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত মৎস্য আইনের ১৯ ধারায় প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ফিশিং ভ্যাসেলে মাছ শিকার বন্ধের কথা উল্লেখ রয়েছে।

তবে এ আইনের আওতায় এ বছর উপকূলের ইঞ্জিনচালিত কাঠের ট্রলারগুলোকেও আনা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মৎস্য-২ (আইন) অধিশাখা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ আহরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে প্রশাসনের প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকাবস্থায় বঙ্গোপসাগরের কোনো স্থানেই যান্ত্রিক, এমনকি ছোট্ট ডিঙি নৌকা দিয়ে মাছ আহরণ করা যাবে না।

উল্লেখিত এলাকায় কোনো ট্রলার কিংবা দাঁড়বাহী নৌকা মাছ ধরতে গেলেই আইনি ঝামেলার মুখোমুখি হতে হবে। এদিকে ৬৫ দিন গভীর সমুদ্রগামী ফিশিং ভ্যাসেলের সঙ্গে উপকূলীয় ইলিশ শিকারি ইঞ্জিনচালিত কাঠের ট্রলারে অবরোধ আরোপ হওয়ায় বেকার হয়ে পড়েছে বরগুনাসহ দক্ষিণাঞ্চলের কয়েক লাখ জেলে। একমাত্র আয়ের উৎস বন্ধ থাকায় কীভাবে তারা ছেলে-মেয়ে নিয়ে আসন্ন ঈদ উদযাপন করবে, সে নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে পড়েছে।

বরগুনা জেলার মোট জনসংখ্যার অধিকাংশই মৎস্য ব্যবসার সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে জড়িত। দেশের বৃহৎ মৎস্য অবতরণকেন্দ্র বরগুনা পাথরঘাটায় হওয়ায় বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, চট্টগ্রাম এলাকার ট্রলার মালিকরা এখান থেকে তাদের মৎস্য ব্যবসা পরিচালনা করেন। জ্যৈষ্ঠ থেকে শুরু করে আশ্বিন মাস পর্যন্ত চলবে ইলিশ মৌসুম। ইতোমধ্যে ট্রলার মালিকরা তাদের ট্রলার মেরামত করিয়েছেন। আড়তদাররাও তাদের দাদন দিয়েছেন। হাজার হাজার ট্রলার সাগরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকলেও অবরোধের কারণে আর যেতে পারছে না।

পাথরঘাটার জেলে আব্দুর রহিম, বেলাল ও আবুল কালাম বলেন, তাদের একমাত্র আয়ের উৎস ইলিশ শিকার। চলছে রমজান মাস, সামনে ঈদ, আয়ের একমাত্র পথ যদি বন্ধ থাকে কীভাবে পরিবার-পরিজনের মুখে ঈদের হাসি ফোটাব? বাংলাদেশ মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী আমাদের সময়কে জানান, সমুদ্রগামী ইঞ্জিন চালিত কাঠের ট্রলারের জেলেরা সাড়ে চার সেন্টিমিটার বৈধ জাল দিয়ে ইলিশ শিকার করেন। আর ফিশিং ভ্যাসেলে সম্পূর্ণ অবৈধ জাল দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির ছোট বড় মাছ শিকার করা হয়।

তাদের চল্লিশ বাম পানির নিচে আসা নিষেধ থাকলেও পাঁচ বাম পানিতে এসেও মাছ ধরে নিয়ে যান তারা। গোলাম মোস্তফা চৌধুরী আরও বলেন, এই ৬৫ দিনের অবরোধে উপকূলীয় কয়েক লাখ জেলে বেকার হয়ে পড়েছেন। এখন এদের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে, যাতে তারা বেকার হয়ে পড়ায় কোনো ধরনের অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে। তবে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা বন্ধের কারণে যাতে সাধারণ মাঝিমাল্লারা ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেদিকে সরকারের নজর রয়েছে বলে জানিয়েছেন? বরগুনার জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদ।

তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত মাঝিমাল্লাদের পরিবারকে ভিজিএফ কার্ডের আওতায় আনা হবে, যে কার্ডের মাধ্যমে তারা সরকারের কাছ থেকে রেশনিং সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া নানা সহায়তা দেওয়া হতে পারে, যাতে তারা মাছ ধরতে না গিয়ে সাগরের মৎস্য ভা-ারকে সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করেন। জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা জেলা মৎস্য অফিসের তৈরি করা তালিকায় বর্তমানে জেলে রয়েছেন ৪৭ হাজার ৪৪০ জন।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জেলে রয়েছে পাথরঘাটা উপজেলায়। এই উপজেলার ১৪ হাজার ৩৫০ জন জেলে মৎস্য অফিস কর্তৃক নিবন্ধিত। এ ছাড়াও অনিবন্ধিত জেলে আছেন কয়েক হাজার।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2020 Dailycoxsbazar
Theme Customized BY Media Text Communications