1. arif.arman@gmail.com : Daily Coxsbazar : Daily Coxsbazar
  2. dailycoxsbazar@gmail.com : ডেইলি কক্সবাজার :
  3. litonsaikat@gmail.com : ডেইলি কক্সবাজার :
  4. shakil.cox@gmail.com : ডেইলি কক্সবাজার :
  5. info@dailycoxsbazar.com : ডেইলি কক্সবাজার : Daily ডেইলি কক্সবাজার
উপকূলে লবণ চাষির মুখে হাসি - Daily Cox's Bazar News
সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
নোটিশ ::
ডেইলি কক্সবাজারে আপনার স্বাগতম। প্রতি মূহুর্তের খবর পেতে আমাদের সাথে থাকুন।
সংবাদ শিরোনাম ::
কট্টরপন্থী ইসলামী দল হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ: এসএডিএফ কক্সবাজারের আট তরুণ তরুণীকে ‘অদম্য তারূণ্য’ সম্মাননা জানাবে ঢাকাস্থ কক্সবাজার সমিতি Job opportunity বিশ্বের সবচেয়ে বড় আয়না, নাকি স্বপ্নের দেশ! আল-আকসা মসজিদে ইহুদিদের প্রার্থনা বন্ধের আহ্বান আরব লীগের পেকুয়ায় পুলিশের অভিযানে ৮০ হাজার টাকার জাল নোটসহ গ্রেফতার-১ পেকুয়ায় অস্ত্র নিয়ে ফেসবুকে ভাইরাল : অস্ত্রসহ আটক শীর্ষ সন্ত্রাসী লিটন টেকনাফে একটি পোপা মাছের দাম হাঁকাচ্ছেন সাড়ে ৭ লাখ টাকা ! কক্সবাজারের টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক-১ নিউ ইয়র্কে মেয়র কার্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ নিয়ে কনসাল জেনারেলের আলোচনা

উপকূলে লবণ চাষির মুখে হাসি

ডেইলি কক্সবাজার ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬
  • ২৭৫ বার পড়া হয়েছে

SALTএই প্রথম মাঠ পর্যায়ে চাষিরা প্রতি কেজি লবণের দাম পাচ্ছেন ১০ টাকা করে। এটা সম্ভব হয়েছে বিদেশ থেকে লবণ আমদানি বন্ধ এবং সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে। এতে উপকূলের ৫৫ হাজার চাষি মহাখুশি। তাদের দাবি, সরকারের যনে বিদেশ থেকে লবণ আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্তে অটল থাকে। আর সংশ্লিষ্টরা বলছে, কক্সবাজারের লবণ দিয়ে দেশের জাতীয় চাহিদা পূরণ সম্ভব।
কক্সবাজারের উপকূলবর্তী সদর উপজেলার খুরুশকুল ও ইসলামপুরের লবণ মাঠ ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার একর জমিতে চাষিরা সমুদ্রের লবণাক্ত পানি জমিয়ে তাতে সূর্যের তাপ দিচ্ছে। আর ওই তাপে পানি শুকিয়ে তৈরি হচ্ছে লবণ। আর বিকেল হতে না হতেই চাষিরা দলবদ্ধভাবে সেই লবণ গুদামে তুলছেন।
এখন কক্সবাজার ও বাঁশখালী উপকূলের ৬০ হাজার একর জমিতে ৫৫ হাজারের বেশি চাষি এখন লবণ উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দেশের মোট চাহিদার লবণ এখান থেকে সরবরাহ করা হলেও ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় হতাশ ছিলেন চাষিরা। কিন্তু এই প্রথম মাঠ পর্যায়ে চাষিরা কাঙ্খিত লবণের দাম পেয়ে মহাখুশি।
সদর উপজেলা ইসলামপুরের চাষি হেদায়ত উল্লাহ বলেন, বিসিকের সহায়তা নিয়ে ২০ একর জমিতে এবার ভাল মানের লবণও উৎপাদন করছি। লবণ উৎপাদনও ভালো হয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে মাঠে উৎপাদিত প্রতি মণ লবণ বিক্রি হয়েছে ৩৫০ টাকায়। তা জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০০ টাকায়। লবণের সর্বোচ্চ দাম পেয়ে আমরা খুবই খুশি।

salt-pic-dc-1চৌফলদন্ডী এলাকার চাষি কলিম উল্লাহ বলেন, গত দশ বছর ধরে প্রতি কেজি লবণ দুই থেকে চার টাকার বেশি দামে বিক্রি করতে পারেনি। কারণ একটি সিন্ডিকেট সবসময় ভারত ও মিয়ানমার থেকে লবণ এনে বাজার সয়লাব করতো। কিন্তু এবার সরকারের সিদ্ধান্তে বিদেশ থেকে লবণ আমদানি বন্ধ থাকায় মাঠ পর্যায়ে উৎপাদিত প্রতি মণ লবণ ৪০০ টাকা করে বিক্রি করছি।
খুরুশকুলের চাষি নুরুল আমিন বলেন, বিদেশ থেকে লবণ আমদানির কারণে মাঠ উৎপাদিত লবণের ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায়নি। সরকার লবণ আমদানি বন্ধ ঘোষণা করায় মাঠে উৎপাদিত লবণের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। যার ফলে স্বাধীনতার পর এই প্রথম আমরা মাঠে উৎপাদিত লবণ প্রতি কেজি ১০টাকায় বিক্রির সুযোগ পাচ্ছি।
একই উপজেলার পোকখালী, ভারুয়াখালী, গোমাতলী সহ জেলার টেকনাফ, মহেশখালী, চকরিয়া, পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলায় লবণের বাম্পার উৎপাদন হচ্ছে। আর চাষি সর্বোচ্চ মূল্যে মাঠে উৎপাদিত লবণ বিক্রি করছে।
কক্সবাজার লবণ চাষি কল্যাণ সমিতির সভাপতি আনোয়ার পাশা চৌধুরী বলেন, কয়েক বছর ধরে লবণ চাষিরা লবণের ন্যায্যমূল্য পায়নি। ফলে তারা বেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার কারণে এক পর্যায়ে অনেকে লবণ উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু সরকারের লবণ আমদানি বন্ধ ঘোষণার পর এবার বিপুল উৎসাহ নিয়ে মাঠে নেমেছেন। এবার লবণের ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় তারা খুবই খুশি।
তিনি আরো বলেন, লবণের এ অবস্থা ধরে রাখতে বিদেশ থেকে লবণ আমদানিকারী চক্রটির প্রতি সরকারের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এছাড়া এখনও লবণ বোর্ড গঠন করা হয়নি, যদি সরকার উদ্যোগ নিয়ে কক্সবাজারে লবণ বোর্ড গঠন করে তাহলে লবণ চাষিরা সবসময় লবণের ন্যায্যমূল্য পাবে।
বিসিক লবণ শিল্প উন্নয়ন প্রকল্পের উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ আবসার উদ্দিন জানান, লবণের সর্বোচ্চ মূল্য পাওয়ায় এখন চাষিরা মহোৎসবে লবণ উৎপাদন করছে। গত বছর ১৫ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন লবণের জাতীয় চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয়েছিল ১৬ লাখ ২৭ হাজার মেট্রিক টন। এবার সারাদেশে লবণের চাহিদা ১৭ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন। আর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ১৮ লাখ মেট্রিক টন। যদি প্রাকৃতিক কোন দূর্যোগ না হয় তাহলে কক্সবাজারের লবণ দিয়ে দেশের জাতীয় চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার ও বাঁশখালীর ৫৫ হাজার প্রান্তিক চাষিসহ লবণ উৎপাদন ও বিপণনে জড়িত অন্তত ৫ লাখের অধিক মানুষ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2020 Dailycoxsbazar
Theme Customized BY Media Text Communications