আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার ( রাত ১২:১১ )
  • ২০শে আগস্ট, ২০১৯ ইং
  • ১৯শে জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
  • ৬ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( শরৎকাল )

Archive Calendar

আগস্ট ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
কক্সবাজার

কক্সবাজার বঙ্গোপসাগরে কার্গো বিমান বিধ্বস্ত : পাইলটসহ নিহত ৩ (ভিডিওসহ)

17views

coxs-cargo_Bimanকক্সবাজার রিপোর্ট : কক্সবাজারে বঙ্গোপসাগরে বিধ্বস্ত কার্গো বিমানের নিখোঁজ পাইলট ও কো-পাইলটের লাশ পাওয়া গেছে। আজ বুধবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সোনাদিয়া এলাকায় সাগরের নিচে বিমানের ধ্বংসস্তূপ থেকে তাঁদের লাশ তোলেন উদ্ধারকর্মীরা। ঘটনাস্থল থেকে মুঠোফোনে এ তথ্য জানিয়েছেন কোস্টগার্ড কক্সবাজারের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার আহসান হাবিব।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, এ নিয়ে এ ঘটনায় বিমানে থাকা চার আরোহীর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হলো। একজন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আরোহীদের সবাই ইউক্রেনের বাসিন্দা। উদ্ধারকাজে অংশ নেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা।

নিহত পাইলটকে উদ্ধারকারী সোনা মিয়া মাঝি জানান, সকাল পৌনে ১০টায় মোস্তাক পাড়ার চর এলাকায় অবস্থান করছিলেন তারা। এসময় হঠাৎ দেখেন উড্ডয়নরত কার্গো প্লেনটি বিকট শব্দ করে আধা কিলোমিটার দূরে সমুদ্রে পতিত হয়। তারা ১০-১২ জন উদ্ধারের জন্য দ্রুত বোট চালিয়ে ঘটনাস্থলে যান। ২০ মিনিটে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। গুরুতর আহতাবস্থায় আর উদ্ধার করে পাইলট মুরাদকে। এসময় অন্য আরেকটি বোট উদ্ধার করে কো-পাইলট কূলথানবকে।

coxs-cargo_Biman-2কক্সবাজার বিমান বন্দরের ম্যানেজার সাধন কুমার মোহন্ত জানান, নি কার্গো প্লেনটি চিংড়ি পোনা নিয়ে যশোর যাচ্ছিল। যান্ত্রিক ক্রটির কারণে হয়তো প্লেনটি বিধস্ত হয়েছে। তবে এখনও নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছেনা কিভাবে এই কার্গো প্লেন বিধস্ত হয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সকাল ৯টা ৫ মিনিটে চিংড়ির পোনা নিয়ে ট্রু অ্যাভিয়েশন নামের একটি কার্গো বিমান কক্সবাজার থেকে যশোরের উদ্দেশে রওনা হয়। কিন্তু ওড়ার পরপরই বিমানটি জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে এবং যশোরযাত্রা বাতিল করে কক্সবাজারে অবতরণ করবে বলে রেডিও বার্তা পাঠায়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে কক্সবাজার টাওয়ারের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে জানা যায়, বিমানবন্দর থেকে ১০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে বিমানটি নাজিরহাট ও সোনাদিয়া দ্বীপের কাছে বিধ্বস্ত হয়। এরপর সেখান থেকে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রতন চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই গুফারেডের মৃত্যু হয়েছে। আর ফ্লাইট নেভিগেটর প্যাট্রোবিবান জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন।

ট্রু অ্যাভিয়েশনের পরিচালক গিয়াসউদ্দিন জানান, ভাড়ায় চালিত এসব কার্গো বিমান ইউক্রেন থেকে আনা হয়। দুর্ঘটনার পর প্রথমে বিমানটির ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার গুফারেড (৪০) ও ফ্লাইট নেভিগেটর প্যাট্রোবিবানকে উদ্ধার করা হয়। এরপর পাইলট মুরাদ ও কো-পাইলট পেট্রট ইভানের লাশ উদ্ধার হয়।

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ আবদুল মজিত জানান, নিখোঁজদের ও বিধস্ত প্লেনটিকে উদ্ধারে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিকেলে সেটিকে তীরে আনা সম্ভব হয়েছে।

ঘটনা তদন্তে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

Leave a Response