আজকের দিন-তারিখ

  • রবিবার ( রাত ১১:০৫ )
  • ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং
  • ২৩শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী
  • ৭ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( শরৎকাল )

Archive Calendar

সেপ্টেম্বর ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
আন্তর্জাতিক

কাঁদলেন থেরেসা মে

69views

ব্রেক্সিট ইস্যুকে কেন্দ্র করে অবশেষে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে কাঁদলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। আজ শুক্রবার সকালে কনজারভেটিভ পার্টির ব্যাকব্যাঞ্চ ১২২ কমিটির চেয়ারম্যানের সঙ্গে স্বাক্ষাতের পর ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

আগামী ৭ জুন টোরি লিডার পদ থেকে পদত্যাগ করবেন থেরেসা মে। তবে পরবর্তী লিডার নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি অর্তবর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার আগে টোরি পার্টির ব্যাকব্যাঞ্চ কমিটির চেয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন থেরেসা মে। এই বৈঠকের পরই তিনি টেন ডাউনিং স্ট্রীটের সামনে এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে কনজারভেটিভ পার্টির লিডার পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। ভাষণ শেষ করে কাঁদতে কাঁদতে ডাউনিং স্টিটে প্রবেশ করেন থেরেসা মে।

ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে দলীয় এমপিদের সঙ্গে মতপার্থক্যের জের ধরেই পদত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী  থেরেসা মে। প্রধানমন্ত্রীর এই ব্রেক্সিট চুক্তি পার্লামেন্টে তিনবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে চতুর্থবারের মতো নতুন চুক্তি পার্লামেন্টে উত্থাপনের ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। তবে নতুন চুক্তির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে বুধবার রাতে পদত্যাগ করেন কনজারভেটিভ পার্টির হাউস অব কমনন্সের লিডার এন্ড্রিয়া লেডসাম। এমনকি নতুন চুক্তি আজকে প্রকাশ করারও কথা ছিল। কিন্তু এন্ড্রিয়া লেডসামের পদত্যাগের পর বিল প্রকাশের তারিখ পেছানো হয়।

এদিকে তিন দফায় তারিখ পরিবর্তনের পর আগামী ৩১ অক্টোবর ব্রেক্সিটের নতুন তারিখ নির্ধারণ হয়েছে। এর ভেতরে ইইউর কাছে নতুন ডিল উপস্থাপন করতে হবে ব্রিটিশ সরকারকে। আর এই নতুন ডিল নিয়েই কাজ করছিলেন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। এ নিয়ে লেবারের সঙ্গে প্রায় দু’ সপ্তাহ বৈঠক করেছে সরকার। লেবার লিডার জেরেমি করবিন এবং প্রধানমন্ত্রীর  থেরেসা মে’র মধ্যে একক বৈঠক হয়েছে বেশ কয়েকবার। তবে এ থেকে প্রধানমন্ত্রী কিছুই অর্জন করতে পারেননি।

২০১৬ সালে ইইউ রেফারেন্ডামে লিভ ক্যাম্পেইন জয়ী হওয়ার পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামনের পদত্যাগের পর তৎকালীন হোম সেক্রেটারি এবং রিমেইন ক্যাম্পেইনার থেরেসা মে দলীয় লিডার নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।