আজকের দিন-তারিখ

  • বৃহস্পতিবার ( রাত ৯:৩৯ )
  • ২২শে আগস্ট, ২০১৯ ইং
  • ২১শে জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
  • ৭ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( শরৎকাল )

Archive Calendar

আগস্ট ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
কক্সবাজার

চকরিয়ায় পানিতে ভেসে গেছে ২৫০ চাষির মাঠে মজুদ লবণ!

48views

চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের দুই নম্বর বড়মাঠ এলাকার তিনটি পলবোট খুলে যাওয়ায় সামুদ্রিক পানিতে ভেসে গেছে মাঠে মজুদ অন্তত ৩৫ হাজার মণ লবণ। গত শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে বদরখালী ইউনিয়নের সাতডালিয়াস্থ বেড়িবাঁধের পাশের লবণ মাঠে ঘটেছে এ ঘটনা। এ ঘটনার পর বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধনের মুখে স্থানীয় আড়াই শতাধিক প্রান্তিক লবণ চাষি।

ক্ষতিগ্রস্ত লবণ চাষিদের মধ্যে আছেন—বদরখালী ইউনিয়নের সাতডালিয়া ও নতুনঘোনা গ্রামের অন্তত ২৬০টি পরিবার। এসব পরিবারের মালিকানাধীন দুই নম্বর বড়মাঠ এলাকার মোট লবণ জমির পরিমাণ ৪৮০ একর। বর্ষাকালে বদরখালী সমিতি প্রকল্পটি মত্স্য চাষের জন্য ইজারা দেন। সমবায় আইনের আলোকে ইজারার টাকার একটি অংশ জমির মূল মালিকদের দেওয়া হয়। অবশিষ্ট অংশের টাকা সমিতির তহবিলে রক্ষিত থাকে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে ব্যয়নির্বাহ করতে।

ক্ষতিগ্রস্ত লবণ চাষিরা জানান, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকের কাছে মৌখিক আবেদন জানাই। সমিতির কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে মাঠ থেকে মজুদ লবণ ও মালামাল সরিয়ে নিতে সময় চেয়ে আসার একদিন পর গত শুক্রবার দুপুরে বেশির ভাগ চাষি মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে গেলে লবণ মাঠের চারপাশের তিনটি পলবোট থেকে কয়েকটি স্থানে লবণ মাঠে সামুদ্রিক পানি ঢুকে পড়ে।

বদরখালী ইউনিয়নের নতুনঘোনা ও সাতডালিয়া গ্রামের বাসিন্দা লবণ চাষি নুরুল আমিন, আমির হোসেন, রিদুয়ানুল হক, মোহাম্মদ আলী, মাহামুদুল করিম, জয়নাল আবেদিন ও ইলিয়াছ বলেন, ‘কয়েকটি স্থানে সামুদ্রিক পানিতে তলিয়ে গেছে লবণ মাঠ। এতে আড়াই শতাধিক চাষির মাঠে মজুদ অন্তত ৩৫ হাজার মণ লবণ পানিতে ভেসে গেছে। এ ঘটনায় আমাদের কমপক্ষে ১০ লাখ ৫০ হাজার ক্ষতিসাধন হয়েছে।’

সমিতির সম্পাদক জয়নাল আবেদিন খান বলেন, ‘মৌসুম শেষ হওয়ায় বর্তমানে বেশির ভাগ মাঠে লবণ মজুদ নেই। বদরখালী সমিতির দুই নম্বর বড়মাঠ প্রকল্পটি যেহেতু মত্স্য চাষের জন্য সমিতি কর্তৃপক্ষ আগে ইজারা দিয়েছেন, সেজন্য আমরা চাষিদের মাঠ ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেছি।’

সমিতির সম্পাদক খান জয়নাল আরো বলেন, ‘কয়েক দিন আগে বৃষ্টিপাত হলে বড়মাঠের লবণ চাষিরা মজুদ লবণ ও মালামাল সরিয়ে নিয়েছেন।’