আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার ( সন্ধ্যা ৭:৫৪ )
  • ২০শে আগস্ট, ২০১৯ ইং
  • ১৯শে জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
  • ৫ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( শরৎকাল )

Archive Calendar

আগস্ট ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
সকল সংবাদ

চট্টগ্রামে ৭ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা

15views

চট্টগ্রাম ডেস্ক রিপোর্ট :চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সাতটি কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। শনিবার পরীক্ষার প্রথম দিন বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় এই ঘটনা ঘটেছে।

নিয়ম অনুযায়ী ২০১৯ সালের সিলেবাসের প্রশ্নপত্র অনুসারে পরীক্ষা নেয়ার কথা। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্র সচিবরা ভুল করে ২০১৮ সালের সিলবাস অনুসারে প্রণীত প্রশ্নে ২০১৯ সালের পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেন।

কেন্দ্রগুলো হলো চট্টগ্রাম নগরের ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মিউনিসিপ্যাল মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, গরীবে নেওয়াজ উচ্চ বিদ্যালয় ও পতেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় এবং কক্সবাজরের পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, উখিয়া পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও উখিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

ডা. খাস্তগীর বালিকা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব শাহেদা আক্তার বলেন, ‘এটি একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল ছিল। এত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার পরেও এটি কীভাবে হয়ে গেল মানতে পারছি না। আমি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।’

কেন্দ্র পরিদর্শনকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আক্তার বলেন, ‘ডা. খাস্তগীর বালিকা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দুটি কক্ষে ১৯ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থী ২০১৮ সালের সিলেবাস অনুযায়ী তৈরি করা প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে। কেন্দ্র সচিবের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি ভুলে এটি হয়ে গেছে বলে জানান। এরপর ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়া শিক্ষার্থীদের ক্রমিক নম্বরগুলো শিক্ষাবোর্ডের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে জানানো হয়েছে- শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।’

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাহবুব হাসান বলেছেন, ‘ভুল করা সাত কেন্দ্র সচিবকে ইতিমধ্যে আমরা শোকজ করেছি। এতে পরীক্ষার্থীদের যাতে কোন সমস্যা না হয় তার জন্য ভুল প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা দেয়া পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বরসহ প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য বলেছি। পরীক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিষয় আমরা দেখব।’

প্রশ্নপত্রে ভুলের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভুলের শিকার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তারা যেন কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হন, তা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।