আজকের দিন-তারিখ

  • সোমবার ( সন্ধ্যা ৭:০৯ )
  • ২১শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং
  • ২২শে সফর, ১৪৪১ হিজরী
  • ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( হেমন্তকাল )

Archive Calendar

অক্টোবর ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
ক্রীড়াঙ্গন

জমাট ম্যাচে খুলনাকে হারাল কুমিল্লা

31views

ক্রীড়াঙ্গন ডেস্ক :

নিজেদের হতভাগা না ভাবার কারণ নেই খুলনা টাইটান্সের। জয় খরা কাটানোর ভালো একটা সুযোগ তারা তৈরি করেও হারল। তবে জমাট এক ম্যাচ উপহার দিয়ে সিলেটবাসীকে খুশি করে দিল খুলনা-কুমিল্লা। আসরে বড় রান করেও জয় বঞ্চিত হলো খুলনা। তবে একতরফা হতে যাওয়া ম্যাচটি হুট করেই জমে গেলো। শেষ পর্যন্ত থিসারা পেরেরার দুর্দান্ত এক ছক্কায় শেষ ওভারে ৩ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল কুমিল্লা। 

কুমিল্লার বিপক্ষে এ দিন তামিমের একসময়কার ওপেনিং সঙ্গী জুনায়েদ সিদ্দিকী দারুণ এক ইনিংস খেললেন। তামিমকে যেন দেখালেন, আর বললেন, মনে পড়ে বন্ধু সেই আমার কথা। তার ৪১ বলে ৭০ রানের ইনিংসে ভর করে ১৮১ রান তোলে খুলনা। টাইটান্সের হয়ে এ ম্যাচে আল-আমিন জুনিয়র, ম্যালান, মাহমুদুল্লাহরা ছোট ছোট কার্যকরী ইনিংসে দলের সংগ্রহরা বেশ গাট্টাগোট্টা বানায়। 

জবাবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের দুই ওপেনার তামিম এবং আনামুল হক দারুণ শুরু করেন। তামিম যেন জুনায়েদের জবাব দেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট ভক্তদের আক্ষেপ তৈরি করেন। ইস্ এভাবে যদি জাতীয় দলের হয়ে ধুমধাম করে খেলতে পারতেন তারা দু’জন। কিন্তু তা বুঝি আর হওয়ার নয়। তাদের এক সঙ্গে দেখার সে দিন বুঝি একেবারেই গেছে। 

তামিম-আনামুল জুটি শুরুতে স্কোরবোর্ডে ১১৫ রান যোগ করেন। এরপর ৪২ বলে ১২ চার এবং এক ছয়ে ৭৩ রান করে ফেরেন এর আগে পরপর দুই ম্যাচে ডাক মারার রেকর্ড গড়া তামিম। এরপর আনামুল ৩৭ বলে ৪০ করে ফিরে যান। ইমরুল ছোট্ট এক ঝড়ো ১১ বলে ২৮ রান করেন। ছক্কা মারের তিনটি, চার মোটে একটা। তিনি আউট হওয়ার পর পথ হারায় কুমিল্লা। একঘেয়ে হতে যাওয়া ম্যাচ জমে যায়। শামসুর রহমান, ডওসন দ্রুত ফিরে যান। 

শেষ ৪ ওভারে ২৮ রান দরকার ছিল কুমিল্লার। ক্রিজে থিসারা পেরেরা এবং আফ্রিদি। এর মধ্যে আফ্রিদি ছক্কা হাঁকিয়ে জানান দেন ভয়ের কিছু নেই। কিন্তু ১৯তম ওভারে আবার না বুঝে ছক্কা তুলতে গিয়ে কাটা পড়েন তিনি। এরপরে ফিরে যান জিয়াউর রহমানও। ব্যাটে অবশ্য তখনও থিসারা আছেন। ওদিকে ক্রিজে এসেছেন সাইফউদ্দিন। কুমিল্লা এ ম্যাচে নয় ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলেছে। তাই তারা ভড়কে যায়নি। শেষ ওভারে  জিততে ৮ রান দরকার কুমিল্লার। থিসারা ওভারের তৃতীয় বলে চার ও চতুর্থ বলে ছক্কা মেরে ম্যাচ বগল দাবায় করে নিয়েই মাঠ ছাড়লেন।