আজকের দিন-তারিখ

  • শনিবার ( বিকাল ৩:৩৩ )
  • ২০শে জুলাই, ২০১৯ ইং
  • ১৭ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী
  • ৫ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( বর্ষাকাল )

Archive Calendar

জুলাই ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রবি
« জুন    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
কক্সবাজাররাজনীতি

কক্সবাজার আ.লীগ দলীয় কোন্দল জয়ের বাঁধা

কক্সবাজারে তিন লাখ কোটি টাকার উন্নয়নের প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে আওয়ামী লীগ সরকার। সেই উন্নয়নকেই হাতিয়ার বানিয়ে নির্বাচনের বৈতরণি পার হতে চায় দলটি।

জেলার চারটি আসনে জয় পেতে ২২ টি মেগা প্রকল্প ও শত শত ক্ষুদ্র প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা সাধারণ জনগনের কানে পৌছে দিচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তবে এত উন্নয়নের পর দলীয় কোন্দল আওয়ামী লীগের জয়ের পথে বড় অন্তরায় হতে পারে বলে অভিমত দিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এবিষয়ে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা বলেন, নির্বাচনে জেলার চারটি আসনেই জয় পাবে আওয়ামী লীগ। কারণ বিগত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজারকে ঢেলে সাজাতে প্রায় তিন লাখ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। এদের মধ্যে ক্ষুদ্র প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের কাজ শেষ হলেও মেগা প্রকল্পগুলো চলমান। আর সেই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতেই মহাজোটের প্রার্থীদের জয়ী করবে।

এবিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, বিগত ১০ বছরে কক্সবাজারে যতগুলো উন্নয়ন প্রকল্প গৃহিত ও বাস্তবায়িত হয়েছে তা এই জেলার ইতিহাসে বিরল। এত উন্নয়নের কারণে জনগনের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই জনগনের ভোট নৌকাতেই পড়বে।

কোন্দল বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ বিশাল এক দল। এখানে মনোনয়ন অনেকেই চাইতে পারে। সে হিসেবে অনেকেই চেয়েছে। কিন্তু দলের সভানেত্রী যাকে মনোনয়ন দিয়েছে তার পক্ষেই সকল বিভেদ ভুলে মাঠে থাকবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

এদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের এত উন্নয়নের পরও দলীয় কোন্দল বেকায়দায় রয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি অভিমত দিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এবিষয়ে কক্সবাজার খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক ও সিপিবি নেতা কলিমউল্লাহ বলেন, ১০ বছরে কক্সবাজারে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে আওয়ামী লীগ। এটি স্বীকার করতেই হবে। তবে এত উন্নয়নের পরও এই জেলার সংসদীয় আসনগুলো আওয়ামী লীগ ধকল পোহাতে হবে। যদি দলটি নিজেদের অভ্যন্তরীন কোন্দল মেটাতে না পারে ও ব্যক্তি ইমেজকে পরিবর্তণ করতে না পারে সেক্ষেত্রে জয় কষ্টকর হবে।

জেলা আওয়ামী লীগ এক প্রবীণ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে। হাতে এখন সময় খুব কম। তাই আওয়ামী লীগের নেতাদের উচিৎ হবে শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থীকে জয়ী করতে কোমর বেধে মাঠে নামা। তবে সেসব কাজ যেন লোক দেখানো না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি। কাজেই নৌকায় কাকে তুলবেন, কাকে পাশে রাখবেন সে বিষয়টির দিকে মনোযোগী হতে জেলার নৌকার মাঝিদের।

বিগত ১০ বছরে ২২ টি মেগা প্রকল্প ও পাঁচ শতাধিক ক্ষুদ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।