আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার ( সকাল ৬:৫১ )
  • ২৩শে জুলাই, ২০১৯ ইং
  • ২০শে জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী
  • ৮ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( বর্ষাকাল )

Archive Calendar

জুলাই ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রবি
« জুন    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
কক্সবাজার

দ্বিতীয় চালান নিয়ে ভিড়েছে এলএনজিবাহী জাহাজ

4views

তরল রুপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এর দ্বিতীয় চালান নিয়ে এলএনজিবাহী জাহাজ পৌঁছেছে। এম ভি আল ডেভিল নামের জাহাজ রোববার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ছয়টায় মহেশখালির অস্থায়ী টার্মিনালের কাছে নোঙ্গর করে। বাহামের পতাকাবাহী জাহাজটিতে এই চালানে ১ লাখ ৪৩ হাজার এলএনজি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট গ্লোবাল লিংক শিপিং লিমিটেড।

জানা গেছে, কাতার থেকে গত কয়েকদিন আগে এম ভি আল ডেভিল রওনা দেয়। রোববার ভোরে ২৮৩ মিটার দীর্ঘ ও ১১.৬ মিটার ড্রাফটের জাহাজটি বঙ্গোপসাগরের মহেশখালীতে অস্থায়ী টার্মিনালের কাছে নোঙ্গর করে। দুপুর থেকেই এম ভি ডেভিল থেকে এলএনজি অস্থায়ী ভাসমান টার্মিনাল জাহাজে খালাস শুরু হয়েছে।

রুপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস (আরপিজিসিএল) এ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কামরুজ্জামান জানান, চুক্তি মোতাবেক চলতি বছর কাতার থেকে ১৫টি জাহাজের চালান দেশে আসবে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ রোববার দ্বিতীয় চালানটি দেশে এসে পৌঁছেছে। গ্যাস সরবরাহ সক্ষমতা না বাড়লে আমদানির পরিমাণ কমিয়ে দেয়া হতে পারে।

কাতার থেকে পেট্রোবাংলার আমদানি করা এলএনজির প্রথম চালান নিয়ে বেলজিয়ামের পতাকাবাহী জাহাজ এম ভি এক্সিলেন্স গত ২৪ এপ্রিল কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর মাতারবাড়ী এলএনজি  টার্মিনাল থেকে ৩ কি.মি. দূরে গভীর সমুদ্রে নোঙ্গর করে। এই জাহাজটি এলএনজির ভাসমান টার্মিনাল হিসাবে কাজ করবে। চুক্তি অনুযায়ী জাহাজটি আগামী ১৫ বছর র্পযন্ত ভাসমান টার্মিনাল হিসাবে অবস্থান করবে। পরবর্তীকালে অন্যান্য বেসরকারি কোম্পানির আমদানি করা এলএনজি এই ভাসমান টার্মিনালের মাধ্যমে খালাস করা হবে।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা যায়, দেশে ৩৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস চাহিদার বিপরীতে পেট্রোবাংলা সরবরাহ করে ২ হাজার ৫৭৭ মিলিয়ন ঘনফুট। উৎপাদন সীমিত হওয়ায় চাহিদা থাকার পরও সার, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাত, বাসাবাড়ি ও বাণিজ্যিক খাতে সংযোগ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। সরকারিভাবে পেট্রোবাংলা এক্সিলেন্স জাহাজের মাধ্যমে এলএনজি আনা হলেও র্পযায়ক্রমে এলএনজি আনবে আরো তিনটি বেসরকারি কোম্পানি।এই কোম্পানিগুলো হলো সামিট পাওয়ার, রিলায়েন্স, হংকং, সাংহাই ও মানজালা। প্রতিটি কোম্পানি ৫০০ মলিয়িন ঘনফুট করে গ্যাস আনবে। দ্বিতীয় র্পযায়ে বেসরকারি খাতে সামিটের আমদানি করা এলএনজি আগামী অক্টোবরে দেশে আসার কথা রয়েছে।