আজকের দিন-তারিখ

  • রবিবার ( রাত ১১:৪৬ )
  • ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং
  • ১৭ই জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
  • ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( শরৎকাল )

Archive Calendar

আগস্ট ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
সারাদেশ

ধর্ষণ মামলায় ২ পুলিশ গ্রেপ্তার করলো পুলিশ

18views

অনলাইন ডেস্ক : মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় এক তরুণীকে দুদিন আটকে রেখে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।এর আগে ওই দুই পুলিশকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

গতকাল সোমবার রাতে সাটুরিয়া থানায় অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেন ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী। এর পরই আজ ভোরে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সাটুরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মাজহারুল ইসলাম।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণের জন্য ওই তরুণীর মেডিকেল পরীক্ষা সোমবার রাতেই সম্পন্ন হয়েছে। পরে মঙ্গলবার ভোরে অভিযুক্ত ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক লুৎফর রহমান জানান, সোমবার রাত সাড় ৮টার দিকে ওই তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়। চার সদস্য বিশিষ্ট এই মেডিকেল বোর্ড দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি রিপোর্ট দেবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রোববার পুলিশ সুপারের কাছে নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী লিখিত অভিযোগে করেন। পরে এর ভিত্তিতেই মানিকগঞ্জ সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান ও ডিএসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হামিদুর রহমান সিদ্দীকী সমন্বয়ে গঠিত দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করেন।

অভিযোগে বলা হয়, সাটুরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন ওই তরুণীর খালার কাছ থেকে ৫ বছর আগে এক লাখ টাকা নেন। লাভসহ ফেরত দেওয়ার কথা বলে এই টাকা নেন তিনি। কিন্তু বারবার ফেরত চেয়েও টাকা পাওয়া যাচ্ছিলেন না তিনি। ওই পাওনা টাকা আনতে বুধবার বিকেল ৫টার দিকে খালাকে নিয়ে সাটুরিয়া থানায় যান তিনি।

সেখানে সেকেন্দার হোসেনের সঙ্গে দেখা হলে তিনি দুজনকে নিয়ে সাটুরিয়া ডাকবাংলোয় যান। কিছুক্ষণ পরে সেখানে উপস্থিত হন একই থানার আরেক এএসআই মাজহারুল ইসলাম। কিছুক্ষণ পর তাকে ও তার খালাকে আলাদা ঘরে নিয়ে আটকে রাখে পুলিশের ওই দুই কর্মকর্তা। এক পর্যায়ে ওই তরুণীকে অস্ত্রের মুখে ইয়াবা সেবনে বাধ্য করা হয়। পরে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত আটকে রেখে তাদের দুজনকে ডাকবাংলো থেকে বের করে দেয় তারা।