আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার ( রাত ১:০৩ )
  • ২০শে আগস্ট, ২০১৯ ইং
  • ১৯শে জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
  • ৬ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( শরৎকাল )

Archive Calendar

আগস্ট ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
সারাদেশ

নেত্রকোনায় ১শ’ ৫৪ পরিবারকে গৃহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

32views

আশ্রয়নের অধিকার প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়েছেন নেত্রকোনার আটপাড়ায় ১শ ৫৪টি আশ্রয়হীন অসহায় দরিদ্র পরিবার। সরকারি গৃহ সহায়তা পেয়ে খুশিতে আনন্দে আত্বহারা পরিবারগুলো।
নেত্রকোনায় ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে যার জমি আছে ঘর নেই, তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রধিকার ভিত্তিতে জেলার আটপাড়া উপজেলায় সাতটি ইউনিয়নে সরকারিভাবে নির্মিত হয়েছে নতুন বসত ঘর। এক লক্ষ টাকা ব্যয় নির্ধারিত নির্মিত গৃহগুলোতে বসবাস করছে আশ্রয়হীন পরিবারের সদস্যরা।
স্বরজমিনে তাদের সাথে কথা বললে তারা জানান, উপজেলার বানিয়াজান গ্রামের পাচঁ সন্তানের জননী সফুরন বেগম দীর্ঘদিন যাবৎ নিজের ঘর না থাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে মোকাবেলা করেছেন সরকারি সহায়তা পেয়ে এখন শান্তিতে বসবাস করছেন। তার মতো আর এক নারী সুনই গ্রামের পারভিন আক্তার মুড়ি বিক্রেতা স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে রোদ ঝড় বৃষ্টিতে খুব কষ্টে জীবন যাপন করলেও ঘর পেয়ে হাসিঁ ফুটেছে পরিবারটির। 

অপরদিকে পাচঁগাও গ্রামের মিনা রবিদাস তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মগড়া নদীর তীর ঘেষে বণ্যা খরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল তার নৃত্য দিনের সাথী সরকারি গৃহ পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন তিনি। নতুন গৃহ পেয়েছেন সুনই গ্রামের উপকারভোগি রফিকুল ইসলাম তিনি জানান, সরকারি এই সহায়তা আমাদের নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখিয়েছে। এদিকে রূপচন্দপুর গ্রামের  নব্বই বছরের বৃদ্ধ লালবানু দীর্ঘদিন যাবৎ দু:খে কষ্টে জীবন যাপন করলে জীবনে শেষ সানিধ্যে এসে মুখে হাসি ফুটল সরকারি গৃহ সহায়তা পেয়ে।
এ ব্যাপারে আটপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদা আক্তার বলেন, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে যার জমি আছে ঘর নেই,তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রধিকার ভিত্তিতে উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ১শ ৫৪টি বসত ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। আটপাড়ার ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাদের যাচাই বাচাই এর মাধ্যমে তালিকা তৈরী করে এলাকার অসহায় দরিদ্র গৃহহীন পরিবারের মধ্যে নির্মিত ঘর হস্তান্তর করা হয়। এর মধ্যে স্বরমুশিয়া ইউনিয়নে ২১টি গৃহ,শুনই ইউনিয়নে ১৯টি,লুনেশ্বর ইউনিয়নে ২০টি,বানিয়াজান ইউনিয়নে ২০টি,তেলিগাতী ইউনিয়নে ৩৪টি,দুয়জ ইউনিয়নে ২০টি ও সুখারী ইউনিয়নে ২০টি গৃহ নির্মাণ করা হয়।