1. arif.arman@gmail.com : Daily Coxsbazar : Daily Coxsbazar
  2. dailycoxsbazar@gmail.com : ডেইলি কক্সবাজার :
  3. litonsaikat@gmail.com : ডেইলি কক্সবাজার :
  4. shakil.cox@gmail.com : ডেইলি কক্সবাজার :
  5. info@dailycoxsbazar.com : ডেইলি কক্সবাজার : Daily ডেইলি কক্সবাজার
প্রক্রিয়ায় জেলা পরিষদ নির্বাচন - Daily Cox's Bazar News
সোমবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
ডেইলি কক্সবাজারে আপনার স্বাগতম। প্রতি মূহুর্তের খবর পেতে আমাদের সাথে থাকুন।
সংবাদ শিরোনাম ::
কট্টরপন্থী ইসলামী দল হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ: এসএডিএফ কক্সবাজারের আট তরুণ তরুণীকে ‘অদম্য তারূণ্য’ সম্মাননা জানাবে ঢাকাস্থ কক্সবাজার সমিতি Job opportunity বিশ্বের সবচেয়ে বড় আয়না, নাকি স্বপ্নের দেশ! আল-আকসা মসজিদে ইহুদিদের প্রার্থনা বন্ধের আহ্বান আরব লীগের পেকুয়ায় পুলিশের অভিযানে ৮০ হাজার টাকার জাল নোটসহ গ্রেফতার-১ পেকুয়ায় অস্ত্র নিয়ে ফেসবুকে ভাইরাল : অস্ত্রসহ আটক শীর্ষ সন্ত্রাসী লিটন টেকনাফে একটি পোপা মাছের দাম হাঁকাচ্ছেন সাড়ে ৭ লাখ টাকা ! কক্সবাজারের টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক-১ নিউ ইয়র্কে মেয়র কার্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ নিয়ে কনসাল জেনারেলের আলোচনা

প্রক্রিয়ায় জেলা পরিষদ নির্বাচন

ডেইলি কক্সবাজার ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ১ আগস্ট, ২০১৬
  • ২৬৯ বার পড়া হয়েছে

শেষ পর্যন্ত জেলা পরিষদ নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এজন্য জেলা পরিষদ আইনের সংশোধনসহ নানা কর্মপ্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। তবে দলীয়, নাকি নির্দলীয় এবং নির্বাচনে স্থানীয় সংসদ সদস্যরা ভোট দিতে পারবেন কি নাÑসে ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটিই হবে দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন।

এর আগে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা বাদে বাকি ৬১ জেলা পরিষদে ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ করে সরকার। তখন স্থানীয় সরকার বিভাগসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা বলেছিলেন, ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন দিয়ে জেলা পরিষদ গঠন করা হবে। কিন্তু এ-সংক্রান্ত আইনে জেলা পরিষদের নির্বাচন কবে হবে এবং প্রশাসক কতদিন দায়িত্ব পালন করবে, তার কোনো সময়সীমার উল্লেখ না থাকায় সরকারের পক্ষ থেকেও নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

পরবর্তী সময়ে সরকারের মধ্য থেকে জেলা পরিষদের প্রয়োজনীয়তার কথা অস্বীকার করা হয়। জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামও সে সময় এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কিন্তু পরে সরকার এর গুরুত্ব উপলব্ধি করে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়।

আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে এ নির্বাচন করতে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। ২৪ জুলাই আওয়ামী লীগ ওয়ার্কিং কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে ইউনিয়ন, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্বাচকম-লীতে রেখে পূর্ণাঙ্গ জেলা পরিষদ গঠন করার। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদেরও ভোটার করার চিন্তাভাবনা রয়েছে সরকারের। স্থানীয় সরকার বিভাগ এ লক্ষ্যে জেলা পরিষদ আইন-২০০০ পর্যালোচনার কাজ শুরু করেছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আশা করি আগামী ছয় মাসের মধ্যেই জেলা পরিষদ নির্বাচন করতে পারব। এ-সংক্রান্ত আইনের কিছু পরিবর্তন-পরিবর্ধন দরকার। তবে এটা সংসদের চলতি অধিবেশনে হচ্ছে না। প্রয়োজনে অর্ডিনেন্স জারি করে নির্বাচনের দিকে এগোব।

স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনপ্রতিনিধিত্বশীল স্থানীয় সরকারের জন্য জেলা পরিষদ অপরিহার্য। এভাবে দীর্ঘদিন ধরে জেলা প্রশাসকদের মতো অনির্বাচিত ব্যক্তিদের দিয়ে জেলা পরিষদ পরিচালনা করানো কোনোভাবেই ঠিক নয়। এতে জবাবদিহি থাকে না। শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারে না স্থানীয় সরকারব্যবস্থা। শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের জন্য স্থানীয় তিন কাঠামো- জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয় দরকার। এগুলোকে পরিচালনা করবে জেলা পরিষদ।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, পূর্ণাঙ্গ জেলা পরিষদ করা সাংবিধানিক অঙ্গীকার। কিন্তু এটা না করায় সংবিধান লঙ্ঘন করা হচ্ছে। এখন জেলা পরিষদের জন্য আলাদা বাজেট হচ্ছে, কিন্তু ব্যয় হচ্ছে অস্বচ্ছভাবে। তাই নির্বাচনের মাধ্যমে জেলা পরিষদ করার পাশাপাশি কিছু আইনি সংশোধনও করতে হবে।

অনুরূপভাবে জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক পরিষদ (জানিপপ) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহও নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকারের উচিত জেলা পরিষদ নির্বাচন দেওয়া। আমি মনে করি, জেলা পরিষদে যারা প্রশাসক আছেন, তাদের স্থলে নির্বাচিত প্রতিনিধি হলে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জনসম্পৃক্ততা বাড়বে। প্রতিষ্ঠানও গ্রহণযোগ্য হবে।

জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী, একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের পাঁচজন নারী সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠন করা হবে। চেয়ারম্যান ও এই ২০ জন সদস্যকে নির্বাচন করবেন সংশ্লিষ্ট এলাকার সিটি করপোরেশন (থাকলে), উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। জেলা পরিষদ স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন একটি স্তর। স্থানীয় সরকারের অন্যান্য স্তরের (সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ) ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারের অনুরোধে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের আয়োজন করে।

সরকার বলছে জেলা পরিষদ নির্বাচন করতে হলে আইনের কিছু পরিবর্তন ও পরিবর্ধন দরকার, কিন্তু সে পরিবর্তনটা কেনÑজানতে চাইলে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ১৯৯৮ সালের আইনকে সংশোধন ও পরিবর্ধন করে ২০০০ সালে জেলা পরিষদ আইন করেছিল সরকার। পরে ২০০৭ সালে জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদকে সমন্বয় করে একটি সমন্বিত আইন হয়েছিল। সে সময় এ-সংক্রান্ত কমিটির আমিও একজন সদস্য ছিলাম। কিন্তু জেলা পরিষদের জন্য এ মুহূর্তে পৃথক আইন। সুতরাং নির্বাচন করতে হলে সরকারকে হয় আইন করতে হবে, নতুবা অর্ডিন্যান্স জারি করে কাজ চালাতে হবে।

জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী, ১২টি বাধ্যতামূলক কাজ করবে জেলা পরিষদ। এগুলোর মধ্যে রয়েছে জেলার সব উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা; উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার গৃহীত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা; জনসাধারণের ব্যবহার্থে উদ্যান, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ। এ ছাড়া শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজকল্যাণ, জনস্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক কল্যাণসহ কিছু ঐচ্ছিক কাজও করবে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলার উন্নয়নমূলক কমিটির সভাপতি। তবে নির্বাচন না হওয়ায় বর্তমানে সরকারের নিযুক্ত প্রশাসকেরাই এই কমিটির সভাপতি।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রশাসক থাকলেও জেলার উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে গত চার বছরে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। প্রশাসকেরা মাসে সম্মানী ও আপ্যায়ন বাবদ অর্থ নিচ্ছেন। পরিষদের গাড়ি ব্যবহার করছেন। ওই গাড়ির জন্য প্রতিদিন সাত লিটার জ্বালানি পাচ্ছেন। এ ছাড়া গাড়িচালকের বেতনসহ অন্যান্য খাতেও খরচ হচ্ছে পরিষদের টাকা। কিন্তু স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়নে তেমন কোন ফল আসছে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা পরিষদের সাবেক একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আমি প্রশাসক নিয়োগ হওয়ার আগে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলাম। প্রশাসক নিয়োগ হওয়ার পরও ছিলাম। কিন্তু উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই দুই সময়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য দেখিনি। প্রশাসকের জন্য দামি গাড়ি কেনা হয়েছে। পরিষদের খরচও বেড়েছে। কিন্তু ভালো কিছু হয়নি। একটি জেলা পরিষদের প্রশাসক জানান, তাদের অনেক ক্ষমতা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে তারা ‘ঢাল নাই তলোয়ার নাই, নিধিরাম সর্দারের’ মতো। নানাভাবে প্রশাসকদের ক্ষমতাহীন করে রাখা হয়েছে। কাজ চাইলে কাজের সুযোগও দিতে হবে।

এ ব্যাপারে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, এখন যারা অনির্বাচিত প্রতিনিধি আছেন, নির্বাচন হলে সেটার চেয়ে ভালো হবে। কারণ এখন প্রশাসকদের কোন বাধ্যবাধকতা নেই। নির্বাচন হলে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা আসবে। তবে নির্বাচনই শেষ কথা নয়। সরকার নির্বাচন দিক এটা যেমন আমরা চাই, তেমনি সরকারকে স্থানীয় সরকারের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর করতে হবে।

তবে নির্বাচন দলীয় নাকি নির্দলীয়ভাবে হবেÑসে ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। অবশ্য দলীয় সূত্রগুলো বলছে, দলীয়ভাবেই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। দল থেকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী দেওয়া হবে। দল মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে থেকে নিজ নিজ জেলার স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা ভোটের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন। জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু না জানালেও স্থানীয় সরকারে তাদের জনপ্রতিনিধির সংখ্যা নগণ্য। তাই প্রার্থী দিলেও তাদের চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিজয়ের সম্ভাবনা কম। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে শেষপর্যন্ত জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কম বলেই দলের নীতিনির্ধারক নেতারা আভাস দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় জেলা পরিষদ নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। দল থেকে প্রতিটি জেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী দেওয়া হবে। তবে এ নিয়ে পরে পার্টির কার্যকরী ফোরামে আরো আলোচনা করে পুরো নির্বাচনী পদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে।

এ নিয়ে স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক নাজুমল আহসান কলিমুল্লাহ বলেন, অবশ্যই অন্যান্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচনও দলীয় প্রতীকেই হওয়া উচিত। এতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা আরো কার্যকর হবে।

সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কথা বলে জানা গেছে, জেলা পরিষদ নির্বাচন হবে বিদ্যমান জেলা পরিষদ আইন-২০০০ অনুযায়ীই। বিদ্যমান এ আইনের ১৭(১) ধারায় বলা হয়েছেÑ‘প্রত্যেক জেলার অন্তর্ভুক্ত সিটি করপোরেশনের (যদি থাকে) মেয়র, কমিশনার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, কমিশনার, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়ে নির্বাচকম-লী গঠিত হবে।’ ১৭(২) ধারায় বলা হয়েছেÑ‘প্রত্যেক ওয়ার্ডের জন্য নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রণীত একটি ভোটার তালিকা থাকবে।’ ১৭(৩) ধারায় বলা হয়েছেÑ‘নির্বাচকম-লীর সদস্য নন এমন কোনো ব্যক্তি ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন না।’

এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ বদিউল আলম মজুমদার বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্যদের ভোটার হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বাইরে থেকে কাউকে ভোটার করতে চাইলে বিদ্যমান আইনে সংশোধনের প্রয়োজন হবে।

জানা গেছে, জেলা পরিষদ ব্যবস্থা ব্রিটিশ আমল থেকেই চালু ছিল। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালে জেলা পরিষদ কাঠামোকে কার্যকর করে জেলা গভর্নর পদ্ধতি চালু করেন। কিন্তু তা কার্যকর হওয়ার আগেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। এরপর জিয়াউর রহমান আবার জেলা পরিষদ গঠন করেন। ওই সময়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে সরকারের মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হতো। জেলা পরিষদের মাধ্যমে তখন মূলত উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হতো। জেনারেল এরশাদের আমলেও জেলা পরিষদ কার্যকর ছিল। ১৯৮৮ সালে ঠিক হয় সরকার মনোনীত ব্যক্তিরা নন, সংসদ সদস্যরা হবেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। কিন্তু ১৯৯১ সালে গঠিত বিএনপি সরকারের সময় জেলা পরিষদ অকার্যকর হয়ে পড়ে। ওই সময় উপজেলা পরিষদও বিলুপ্ত করা হয়। মূলত জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কোন নির্বাচন না দেয়ায় জেলা পরিষদ অকার্যকর হয়ে পড়ে। সরকারে উপসচিব পদমর্যাদার একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়ে এ পরিষদ পরিচালনা শুরু হয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর জেলা পরিষদ কার্যকরের উদ্যোগ নেয়। ২০১১ সালের ডিসেম্বর জেলা পরিষদ আইন-২০০০-এর ৮২(১) ধারা অনুযায়ী দেশের তিনটি পার্বত্য জেলা বাদে ৬১ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। তবে ওই আইনে জেলা পরিষদের নির্বাচন কবে হবে এবং প্রশাসক কতদিন দায়িত্ব পালন করবেন, তার কোন সময়সীমার উল্লেখ নেই।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2020 Dailycoxsbazar
Theme Customized BY Media Text Communications