আজকের দিন-তারিখ

  • শনিবার ( রাত ৮:৩৭ )
  • ১৮ই জানুয়ারি, ২০২০ ইং
  • ২৩শে জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী
  • ৫ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( শীতকাল )

Archive Calendar

জানুয়ারী ২০২০
সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
কক্সবাজারপযর্টন

বৈশাখী ছুটিতে পর্যটকদের ভিড়ে পরিপূর্ণ সমুদ্রপাড়

191views

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে টানা তিনদিনের ছুটিতে এখন পর্যটকমুখর কক্সবাজার। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এসেছেন বেড়াতে। শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে এখন ‘ঠাঁই নেই’ অবস্থা। তবে সৈকতে কোনো অনুষ্ঠান না থাকায় অনেকে হতাশ।

সাগরের নীল জলরাশি ও প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছেন প্রায় ৫ লাখ পর্যটক। পর্যটকরা সৈকতের লাবনী, সুগন্ধা, ইনানী, হিমছড়িসহ ছয়টি পয়েন্ট ছাড়াও ভ্রমণ করছেন, দরিয়ানগর, হিমছড়ি ঝনা, রামুর বৌদ্ধ বিহার, রেডিয়েন্ট ফিশ ওর্য়াল্ড, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া ও সেন্টমার্টিনসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান। পর্যটকদের সরব উপস্থিতিতে সমুদ্রের পাড় যেন উৎসবে পরিণত হয়েছে। পর্যটকদের সাড়া পেয়ে খুশি পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

হোটেল ব্যবসায়িরা বলছেন, গত বৃহস্পতিবার থেকে পর্যটক আসতে শুরু করে সৈকত নগরীতে। সবগুলো হোটেল-মোটেলে এখন বৈশাখের আমেজ চলছে।

হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম বলেন, ‘বৈশাখ ও টানা সরকারি ছুটিতে একটি হোটেলেও কক্ষ খালি নেই। এবার মনে হয় সবাই ভালো ব্যবসা করতে পারবে।’

ঢাকা থেকে আসা রুমিলা-শাকিল দম্পতি বলেন, ‘এ প্রথম কক্সবাজার বেড়াতে আসলাম। খুবই আনন্দ করছি। দু’জনই খুব ভালোভাবে উপভোগ করছি। পহেলা বৈশাখে আসতে পেরে আরও ভালো লাগছে। তবে কোনো প্রোগ্রাম না থাকায় কিছুটা হতাশ।’

কিন্তু রুম না পেয়ে হতাশ টাঙ্গাইল থেকে আসা রিয়াজুল আলম। তিনি বলেন, ‘আগে রুম বুকিং দেইনি। জানতাম না এত মানুষ কক্সবাজার আসবে। সকাল থেকে অনেক চেষ্টা করেছি। কোথাও রুম পাচ্ছি না।’

এদিকে তিনদিনের এই ছুটিতে ৫ লাখের মতো পর্যটক হতে পারে বলছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, ‘নিরাপত্তার কারণে তেমন বড় কোনো প্রোগ্রাম না থাকলেও বিকেলে ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় ১ হাজার ঘুড়ি উড়বে সৈকতের আকাশে।’

এদিকে নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘সৈকতের ১১টি পয়েন্ট জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।’