আজকের দিন-তারিখ

  • রবিবার ( রাত ১১:৪৩ )
  • ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং
  • ১৭ই জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
  • ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( শরৎকাল )

Archive Calendar

আগস্ট ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
কক্সবাজার

সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ নিয়ে জেলায় শীর্ষে কক্সবাজার সরকারী উচ্চবিদ্যালয়

18views

সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ নিয়ে এবারসহ টানা চারবার জেলায় শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে কক্সবাজার সরকারী উচ্চবিদ্যালয়। এবারও এসএসসি পরীক্ষায় এ বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ১১২ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। আর ১০১ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়।

সোমবার সারাদেশে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এবার কক্সবাজার জেলায় পাস করেছে ১৬ হাজার ৬৮৪ জন পরীক্ষার্থী। তৎমধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯০ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জনকারী ১১২ জন পরীক্ষার্থী-ই কক্সবাজার সরকারী উচ্চবিদ্যালয়ের। আর ১০১ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে কক্সবাজার সরকারী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়।

২০১৬ সাল থেকে এখন পর্যন্ত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, জিপিএ-৫ অর্জনে টানা চারবার শীর্ষস্থান ধরে রাখার গৌরব অর্জন করে আসছে কক্সবাজার সরকারী উচ্চবিদ্যালয়। এর আগেও এ বিদ্যালয়ের জিপিএ-৫ অর্জনের রেকর্ড অন্যান্য বিদ্যালয়গুলোকে ছাড়িয়ে রয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কক্সবাজার সরকারী উচ্চবিদ্যালয়ের ১৪০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করে। এরপর ২০১৭ সালে জিপিএ-৫ অর্জন করে ১৩৪ জন শিক্ষার্থী। গেল বছর (২০১৮ সালে) জিপিএ-৫ অর্জন করেছিল ১২৬ জন পরীক্ষার্থী। আর প্রতিবারই জিপিএ-৫ অর্জনে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন কক্সবাজার সরকারী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়।

কক্সবাজার সরকারী উচ্চবিদ্যালয়ের ঈর্ষনীয় সাফল্যে খুশি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। জিপিএ-৫ পাওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, ‘স্যারদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আমাদের জিপিএ-৫ পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এরজন্য পুরো কৃতিত্ব স্যারদের। তাই স্যারদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি’।

কক্সবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাম মোহন সেন বলেন, ‘ছাত্রদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আজকের এই ফলাফল। তবে অভিভাবকদের ভূমিকাও কম ছিল না। অভিভাবকেরা সব সময় সন্তানদের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন ছিলেন বলেই আজকের এই ঈর্ষনীয় ফলাফল। তাই সন্তানের সফলতার পেছনে অভিভাবকদের সচেতন হওয়া সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’