আজকের দিন-তারিখ

  • সোমবার ( সন্ধ্যা ৬:১২ )
  • ২১শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং
  • ২২শে সফর, ১৪৪১ হিজরী
  • ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( হেমন্তকাল )

Archive Calendar

অক্টোবর ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
জাতীয়

স্বভাব না বদলালে হজে গিয়ে কী লাভ : এনবিআর চেয়ারম্যান

স্বভাব না বদলালে হজে গিয়ে কী লাভ
4.07Kviews

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেছেন, অনেক কর্মকর্তা হজে যাচ্ছেন। হজে যাওয়ার পর যদি তাদের স্বভাব না বদলায় তাহলে হজে গিয়ে কী লাভ?

শনিবার (২৭ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজনে নতুন ভ্যাট আইনের ওপর সচেতনতামূলক কর্মশালা উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন।

মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এনবিআর কর্মকর্তারা ভ্যাট বা ট্যাক্স আদায় করতে গিয়ে বলবেন, মেশিন নষ্ট আমাদের সাথে সমঝোতায় আসুন। আপনারা (ব্যবসায়ী) আর কেউ অনৈতিক কোনো সুবিধা দেবেন না। আমাদেরকে বলে দেন কারা কারা অনৈতিক সুবিধা নেয়। আমরা তাদেরকে কঠোর হস্তে দমন করব। দুর্নীতিবাজদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ইসিআর মেশিন নষ্ট বলে অনেক কাহিনী হয়েছে। কিন্তু ইএফডি মেশিন নষ্ট হলে সেটা তাদেরকেই ঠিক করতে হবে। সুতরাং ভালো করে রাখার দায়িত্বটা ব্যবসায়ীদের। ’

তিনি আরও বলেন, ‘নতুন ভ্যাট আইনে অনেক সংশোধনী এনে সেটা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ছোট ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে বিভিন্ন রেট করা হয়েছে। যাতে করে কোনো ব্যবসায়ীদের অসুবিধা না হয়। সরকারের বাজেটের আকার বাড়ছে। বিদেশি সহায়তার পরিমাণ কমেছে। টোটাল জিডিপির ২ শতাংশ এখন বিদেশি সহায়তা। এখন ট্যাক্স নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই। ব্যবসায়ীদের জন্য কাস্টমস ডিউটিতে অনেক ছাড় দেওয়া হয়েছে।’

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, হয়রানির কথাটা অনেকের মুখে আসবে। হয়রানির বিষয়টা ওদের সঙ্গে সমঝোতায় না গিয়ে, আমাদের বলেন- ওই অফিসার হয়রানি করছে। তখন তাকে আমরা শক্ত হাতে ধরবো।

তিনি বলেন, ‘আমি যখন অফিসারদের সঙ্গে কথা বলি তখন এ কথাগুলো বলি, আপনি ব্যবসায়ীদের বাধ্য করে যেটা নেন, সেটা চুরি, সেটা ময়লা খাবার।’

‘অনেকে হজ করতে যায়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে কিন্তু কম লোক না। হজের মৌসুমে আমি ছুটি দিতে দিতে ইয়ে হয়ে যায়। এখন যদি হজের পরে স্বভাব পরিবর্তন না হয়, তাহলে কি লাভ এটা করে?’ বলেন মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।