আজকের দিন-তারিখ

  • রবিবার ( রাত ১১:৪৬ )
  • ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং
  • ১৭ই জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
  • ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( শরৎকাল )

Archive Calendar

আগস্ট ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
জাতীয়

হাইকোর্টের রুল : দুগ্ধজাত খাদ্যের দূষণ পরীক্ষার নির্দেশ

12views

অনলাইন ডেস্ক : দেশে উৎপাদিত দুগ্ধজাত সব খাদ্যে কী পরিমাণ ব্যাক্টেরিয়া, কীটনাশক ও সিসা রয়েছে তা নির্ধারণের জন্য একটি জরিপ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে খাদ্য সচিব, মৎস্য ও প্রাণী সচিব, কৃষি সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নিরাপত্তার খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ সব সদস্য, কেন্দ্রীয় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটি এবং বিএসটিআইয়ের চেয়ারম্যানকে জরিপের প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

গতকাল সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে জারিকৃত রুলে এ আদেশ দেন। রুলে দুগ্ধজাত খাবার ভেজাল প্রতিরোধে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষসহ বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি খাদ্যে ভেজালের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির নির্দেশ কেন দেয়া হবে না- তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া পরবর্তী শুনানির জন্য ৩ মার্চ দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট।

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের একটি গবেষণা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গতকাল বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, দেশে পুষ্টির অন্যতম প্রধান জোগানদাতা হিসেবে বিবেচিত গরুর দুধ বা দুগ্ধজাত খাদ্যে মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর নানা উপাদান মিলেছে। গরুর খোলা দুধে অণুজীবের সহনীয় মাত্রা সর্বোচ্চ ৪ থাকার কথা থাকলেও পাওয়া গেছে ৭ দশমিক ৬৬ পর্যন্ত। আফলাটক্সিনের সহনীয় মাত্রা ০.৫ হলেও পাওয়া গেছে ০.৯৯৬ পর্যন্ত। টেট্রাসাইক্লিনের মাত্রা ১০০ পর্যন্ত সহনীয় হলেও পাওয়া গেছে ৬৭১.১৩ পর্যন্ত, সিপ্রোফ্লোক্সাসিনের মাত্রা ১০০ পর্যন্ত সহনীয় হলেও পাওয়া গেছে ১৪৮.৩৬ পর্যন্ত। কীটনাশকের মাত্রা ৫ সহনীয় হলেও পাওয়া গেছে ৯.৫০-১৬.২০ পর্যন্ত। প্যাকেটজাত দুধের ক্ষেত্রে টেট্রাসাইক্লিনের সহনীয় মাত্রা ১০০ হলেও দেশীয় প্যাকেটজাত দুধে পাওয়া গেছে ১৮৭.৫৮ পর্যন্ত। আমদানিকৃত প্যাকেটজাত দুধের ক্ষেত্রে এই উপাদানের মাত্রা ৭১৭.৮২ পর্যন্ত পাওয়া গেছে। আর আফলাটক্সিনের সহনীয় মাত্রা ০.৫ হলেও পাওয়া গেছে ১.৯৩ পর্যন্ত।

পত্রিকায় প্রকাশিত এই খবরের আলোকেই গতকাল স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। আদালতে দুদকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মামুন মাহবুব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। এ সময় শুনানিতে আদালত বলেছেন, খাদ্যে ভেজাল মেশানো একটি বড় দুর্নীতি। এ ধরনের ভেজালে মানুষের কিডনি-লিভার নষ্ট হচ্ছে, ক্যান্সার হচ্ছে। কোর্ট এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, মানুষ এখন শুধু টাকার পেছনে ঘুরছে। দেশ ও দেশের মানুষ নিয়ে কেউ ভাবছেন না।