সংবাদ শিরোনাম

পর্যটন নগরী কক্সবাজার

নয়নাভিরাম সুবিশাল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য, বৈচিত্র্যপূর্ণ নানাবিধ সংস্কৃতি, দৃষ্টিনন্দন জীবনাচার বাংলাদেশকে একটি বহুমাত্রিক আকর্ষণসমৃদ্ধ পর্যটন গন্তব্য হিসেবে বিশ্বে পরিচয় করিয়ে দেয়। বাংলাদেশের দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে যুগে যুগে বহু ভ্রমণকারী মুগ্ধ হয়েছেন। বাংলাদেশ স্বল্প আয়তনের দেশ হলেও বিদ্যমান পর্যটন আকর্ষণে যে অনাবিল বৈচিত্র্যতা সহজেই পর্যটকদের আকর্ষণ করতে পারে।

পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ যে কয়টি বিষয় নিয়ে গর্ব করতে পারে তার মধ্যে অন্যতম হলো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যম-িত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। ১২০ কিমি দীর্ঘ সৈকতটি বালু কাম কাদার অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। তাই তো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সমুদ্র সৈকতের চেয়ে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এবং এর রয়েছে অপার সম্ভাবনা।

রাজধানী ঢাকা থেকে ৪২৫ কিলোমিটার ও চট্টগ্রাম শহর থেকে ১৫৬ কিলোমিটার দূরে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের অবস্থান। এর রয়েছে গৌরবময় অতীত ইতিহাস। প্রাচীনকালে কক্সবাজারের সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়ে মোগল, পর্তুগিজ, আরকান, ব্রিটিশরা এখানে এসে অবস্থান করেছে এবং কক্সবাজারের উন্নয়ন সাধন করেছে। ১৭৭৩ সালের দিকে ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স কক্সবাজারে ব্রিটিশ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। তিনি এ অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়নে কাজ করেন। কক্সবাজারের আদি নাম ছিল পালনকি। ক্যাপ্টেন কক্স ১৭৯৯ সালে মৃত্যুবরণ করলে তার নামানুসারে পালনকি নাম পরিবর্তন করে কক্সবাজার নামকরণ করা হয়।

কক্সবাজার হলো বাংলাদেশের পর্যটনের রাজধানী। যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নতি, অবকাঠামোগত প্রাচুর্যের কারণে এখানে সারা বছর পর্যটকের আনাগোনা লেগেই থাকে। এখন আর কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প শীতকালকেন্দ্রিক নয়। বছরজুড়ে পর্যটকের ভিড় লেগেই থাকে। তবে যে কোনো উৎসবকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ঈদ, বাংলা নববর্ষ, ইংরেজি নববর্ষসহ যে কোনো বড় ছুটির উপলক্ষ হলেই কক্সবাজারে ঢল নামে অসংখ্য পর্যটকের যা কোনো কোনো সময় ধারণ ক্ষমতাকেও ছাড়িয়ে যায়।

বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ছাড়াও এখানে আছে আরও অনেক দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনা। বিভিন্ন উপজাতি বা নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর বসবাসে বৈচিত্র্যময় এই জেলার জনপ্রিয় স্থানগুলোর মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হলো লাবণী বিচ, সুগন্ধা বিচ, কলাতলি বিচ, হিমছড়ি, ইনানী বিচ, মেরিন ড্রাইভ রোড, সেন্টমার্টিন, রামু বৌদ্ধ বিহার, মহেশখালী, সোনাদিয়া দ্বীপ, কুতুবদিয়া দ্বীপ ইত্যাদি। কক্সবাজারে একজন পর্যটক একদিকে যেমন পাহাড় ঘেরা সবুজ প্রকৃতি দেখতে পারবেন তেমনি অন্যদিকে উপভোগ করতে পারবেন বিস্তীর্ণ সমুদ্র। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছাড়াও এখানে বিভিন্ন ধর্মীয় স্থাপনাও রয়েছে যা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে ব্যাপক গুরুত্ব বহন করে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত হিমছড়ি পর্যটন কেন্দ্র। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে এ সমুদ্র সৈকতের নাম হিমছড়ি। ওই সমুদ্র সৈকতটি কক্সবাজারের চেয়ে অপেক্ষাকৃত নির্জন ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। এর সৌন্দর্যও কোনো অংশে কম নয়। হিমছড়ি থেকে আরও পাঁচ কিলোমিটার গেলেই ইনানী বিচ বা ইনানী সমুদ্র সৈকত। ইনানী বিচে প্রবাল পাথরের ছড়াছড়ি। অনেকটা সেন্টমার্টিনের মতোই। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মতো এখানে বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়ে না সৈকতের বেলাভূমিতে। অনেকটাই শান্ত প্রকৃতির সৈকত এই ইনানী। জোয়ারের সময় এলে প্রবাল পাথরের দেখা পাওয়া যাবে না। ভাটার সময়েই কেবল মাত্র বিশাল এলাকাজুড়ে ভেসে ওঠে এই পাথর। প্রবাল পাথরে লেগে থাকে ধারালো  শামুক-ঝিনুক।

কক্সবাজার শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে সাগরের মাঝে অবস্থিত একটি দ্বীপ মহেশখালী। মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়িয়া দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। মহেশখালীতে রয়েছে হিন্দুদের তীর্থস্থান বিখ্যাত আদিনাথ মন্দির। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এ মন্দির সারা বিশ্বের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি পবিত্র স্থান। প্রায় ৬০০ বছরের পুরনো এ প্রাচীন স্থাপনা দেখে যে কেউ মুগ্ধ হবেন।

বৌদ্ধ কৃষ্টির জন্য বিখ্যাত কক্সবাজারের রামু থানা। কক্সবাজার থেকে ঢাকার পথে আসতে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই প্রসিদ্ধ দর্শনীয় স্থানটি। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পবিত্র স্থান। এখানে রয়েছে বৌদ্ধ মন্দির প্যাগোডা, ধাতু ও ব্রোঞ্জের তৈরি বৌদ্ধ মূর্তি, যা পর্যটকদের  বিশেষভাবে আলোড়িত করে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপ কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ। যা কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মিয়ানমারের উপকূল থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। এই দ্বীপটি প্রবাল প্রাচীরের ওপর প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠেছে। মূলত সেন্টমার্টিনে পর্যটন মৌসুম শুরু হয় অক্টোবরে যা এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলতে থাকে। এই কয় মাসে সেন্টমার্টিনে বিপুল সংখ্যক পর্যটক আসেন। বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা যায় এই সময় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৫০০-এর অধিক পর্যটক এই দ্বীপ ঘুরতে আসেন। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের কাছে পর্যটনের এক অনন্য সম্পদ। সম্প্রতি কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সাগরের পাড় বেঁধে ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণ দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে তুলবে। এই সড়কটি কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ নামে সবার কাছে পরিচিতি পেয়েছে যা বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ। সড়কের এক পাশে সবুজের গালিচা বিছানো পাহাড়, অন্য পাশে সুবিস্তীর্ণ সাগর। এ দুইয়ের মাঝখান দিয়ে চলে গেছে মেরিন ড্রাইভ। সড়কের ধারে নারিকেল, সুপারি, ঝাউগাছের সমাহার রয়েছে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত। সেই সঙ্গে গ্রামীণ জীবনের এক অনন্য চিত্র ফুটে উঠে এই মেরিন ড্রাইভ সড়কের ধারে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মেরিন ড্রাইভ বা সমুদ্রপাড়ের সড়ককে ঘিরে নিজ নিজ অঞ্চলের পর্যটনকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। অস্ট্রেলিয়ার ওশান ড্রাইভ এবং আমাদের পাশের দেশ ভারতের মুম্বাই মেরিন ড্রাইভ পৃথিবীর অন্যতম সেরা পর্যটন আকর্ষণ। প্রতি বছর প্রায় ৭০ লাখ পর্যটক ওশান ড্রাইভ ভ্রমণ করতে যায় যা থেকে বছরে প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলার আয় করে দেশটি। এই বিপুল পরিসরের কর্মকা-ের পেছনে রয়েছে সুপরিকল্পনা। ওশান ড্রাইভকে কেন্দ্র করে অস্ট্রেলিয়ার সরকার নানা ধরনের পর্যটনবান্ধব প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। যার মধ্যে জাতীয় উদ্যান, হেরিটেজ পার্ক, মেরিন মিউজিয়াম, গলফ কোর্সসহ আরও বিভিন্ন আন্তর্জাতিকমানের বিনোদনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাছাড়া প্রতি বছর বিশ্ব সাইক্লিং প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয় যা এর প্রচার ও প্রসারে সাহায্য করে থাকে।

বর্তমানে কক্সবাজার পর্যটন শিল্পে নতুন করে আশার সঞ্চার করছে একটি মেগা প্রকল্প যেটি ‘সাবরাং ট্যুরিজম অর্থনৈতিক অঞ্চল’ নামে পরিচিত। ২০১৬ সালে টেকনাফ সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এটি বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজার তথা দেশের পর্যটন শিল্পের আমূল পরিবর্তন ঘটবে।

টেকনাফে অর্থনৈতিক অঞ্চল সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক জোনে ১ হাজার ১৬৫ একর জমির রয়েছে। পাহাড় ও সাগরের বৈচিত্র্যময় দৃশ্য, সুদীর্ঘ বালুকাময় সৈকত এ স্থানকে সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে পরিণত করেছে। সাবরাং ট্যুরিজম পার্কটি বিনোদনপ্রেমীদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হবে। এটি সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে দেশের পর্যটন খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এখানে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ৭০ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে বেজা কর্তৃপক্ষ। সাবরাং ট্যুরিজম পার্কটিতে পাঁচ তারকা হোটেল, ইকো-ট্যুরিজম, মেরিন অ্যাকুরিয়াম, বিদেশি পর্যটকদের জন্য বিশেষ সংরক্ষিত এলাকা, সেন্টমার্টিনে ভ্রমণের বিশেষ ব্যবস্থা, ভাসমান জেটি, শিশুপার্ক, ইকো-কটেজ, ওসানেরিয়াম, আন্ডার ওয়াটার রেস্টুরেন্ট, ভাসমান রেস্টুরেন্টসহ নানা বিনোদনের সুবিধা রাখা হবে। এ ছাড়া টেকনাফে নাফ ট্যুরিজম পার্ক ও মহেশখালী উপজেলায় সোনাদিয়া ইকো-ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রকৃতি কক্সবাজারকে অপরূপভাবে সাজিয়েছে। এটি বর্তমানে দেশীয় পর্যটকদের কাছে প্রধান অবকাশযাপনের কেন্দ্র। প্রতি বছর প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ দেশি পর্যটক এই সমুদ্র সৈকত ভ্রমণ করে থাকে। প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও আশানুরূপ বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে কক্সবাজার। যার পেছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে মানবসৃষ্ট পর্যটন আকর্ষণের অভাবকে দায়ী করা হয়। কক্সবাজারে পর্যটকদের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ আর কিছু হোটেল ছাড়া অন্য কোনো স্থাপনা গড়ে ওঠেনি। আর সন্ধ্যার পর তাদের সম্পৃক্ত করার জন্য কোনো কর্মকা- থাকে না। বিশ্বের জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকতগুলোর মতো করে আমাদের দেশে কক্সবাজারে জাতীয় উদ্যান, থিম পার্ক হেরিটেজ পার্ক, মেরিন মিউজিয়াম, গলফ কোর্সসহ বিভিন্ন ধরনের বিনোদনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এ ছাড়া আন্তর্জাতিকমানের কনফারেন্স সেন্টার তৈরি করা যেতে পারে যাতে করে আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্সবাজারে আয়োজন করা যায়। তাছাড়া আমাদের শিল্প সংস্কৃতি পর্যটকদের কাছে তুলে ধরার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

তদুপরি কক্সবাজারে পর্যটনের বিকাশে অন্যতম বাঁধা হলো অপরিকল্পিত উন্নয়ন। এখানে যেখানে সেখানে গড়ে উঠছে ইট-পাথরের স্থাপনা। অনেক সময় পাহাড় কেটে প্রকৃতির ক্ষতি করে এসব অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করছে। এসব অনিয়ম বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা তদারকি করার জন্য সরকারের তরফ থেকে উদ্যোগ নিতে হবে। তবে সব ধরনের পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

বর্তমানে কক্সবাজারের বিশাল সমুদ্র সৈকতে মাত্র তিন কিলোমিটার পর্যটন এলাকা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাকি এলাকা অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। পুরো কক্সবাজারকে ঘিরে বহুমাত্রিক পর্যটনশিল্প গড়ে তুলতে হবে। সবকিছু করতে হবে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়নকে ঘিরে। নতুন নতুন স্থাপনা তৈরির জন্য নির্দিষ্ট জোন তৈরি করতে হবে। সঠিক নির্দেশনা, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা এবং পর্যটনবান্ধব ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করা গেলে অদূর ভবিষ্যতে কক্সবাজারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব। এই লক্ষ্যে আমাদের সব ধরনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়ন করা একান্ত প্রয়োজন। এর ফলশ্রুতিতে সমৃদ্ধ হবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে পর্যটন শিল্প।

লেখক : ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া- চেয়ারম্যান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Editor in Chief : Sayed Shakil
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী