সংবাদ শিরোনাম

ইয়াবার পরশে তিন বছরে বাবুর্চি থেকে কোটিপতি বাবুল

তিনি তিন বছর আগেও কক্সবাজার শহরের কলাতলী রোড়ের জিয়া গেষ্ট ইন এলাকার ঢাকার বাড়ি রেস্তোরায় বাবুর্চির কাজ করতেন। কিন্তু বর্তমানে তিনি কোটি টাকার উর্ধ্বের সম্পত্তির মালিক। তবে কি করে তিনি এত অল্প সময়ে এত সম্পত্তির মালিক হলেন তা জানে না এলাকাবাসী। আর বাবুলও তার সম্পত্তির উৎস বলতে নারাজ। কিন্তু বাবুলের নিকটজন ও আত্মীয়স্বজনের দেওয়া তথ্যমতে ইয়াবার পরশেই বাবুর্চি থেকে কোটিপতি বনে গেছেন বাবুল।
পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রামু উপজেলার রশিদ নগর ইউনিয়নের পানিরছড়া গ্রামের মৃত আবদুল হাকিমের ছেলে মো. বাবুল । কাজের সন্ধানে পরিবার পরিজন নিয়ে বছর সাতেক আগে ছুটে আসে কক্সবাজার শহরে। সেই থেকে তিনি বিভিন্ন হোটেলে বাবুর্চির কাজ করে এবং লাইট হাউজের ভাড়া বাসায় বসবাস করছে। সর্বশেষ তিন বছর আগে তিনি জিয়া গেষ্ট ইন এলাকার ঢাকার বাড়ি রেস্তোরায় বাবুর্চি ছিল। সেখানে থাকা অবস্থায় তার সাথে পরিচয় হয় টেকনাফ ও লাইট হাউজ এলাকার একটি ইয়াবা সিন্ডিকেটের সাথে। সেই থেকে বাবুলের উত্তান শুরু।এখন তিনি একই এলাকার গ্রামীন রেস্তোরার মালিক। এর পেছনেই তিনি এখন পরিবার নিয়ে বসবাস করছে। রয়েছে দুটি সিএনজি ও একটি এফ.এম.জার মোটর সাইকেল ও হোটেল মোটেল জোনে দুটি ফ্লাট । লাইটহাউজ জামে মসজিদের পাশে প্রায় ১০ শতক জমির উপর নির্মানাধীন রয়েছে একটি বহুতল ভবন। শহরে একটি কাপড়ের দোকানও রয়েছে বাবুলের।
তবে মো. বাবুল বলেন, গ্রামীন রেস্তোরা, ভবণ নির্মান, মোটর সাইকেল ও একটি ফ্লাটের কথা স্বীকার করলেও অন্যান্য সম্পত্তি তার নেই বলে দাবী করেছে। এছাড়া তিনি তার সম্পত্তির উৎস সম্পর্কে বলতে রাজি হয়নি।
কিন্তু কক্সবাজার পৌরসভার ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী মোরশেদ আহমেদ বাবু বলেন, কোন বৈধ ব্যবসা করে এত অল্প সময়ে এত সম্পত্তির মালিক হওয়া সম্ভব নয়। নিশ্চয়ই এক সময়কার বাবুর্চি বাবুল মাদক কিংবা কোন অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাবুলের এক নিকট আতœীয় বলেন, বাবুর্চি থাকা অবস্থায় বাবুলের সাথে লাইট হাউজের চিহ্নিত কতিপয় ইয়াবা ব্যবসায়ীর সখ্যতা গড়ে উঠে। তাদের হাত ধরেই বাবুল ইয়াবা পাচারে জড়িত হয়। আর ইয়াবার পরশেই বাবুল গড়ে তুলেছে সম্পদের পাহাড়।
কক্সবাজার সদর থানার পরিদর্শক(তদন্ত) খায়রুজ্জামান বলেন, বাবুলের সম্পত্তির উৎসের খোঁজ চলছে। যদি ইয়াবা কিংবা অবৈধ কোন ব্যবসার সাথে তার সংশ্লিষ্ঠতা খুঁজে পাওয়া যায় তবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী উপ পরিচালক সৌমেন মন্ডল বলেন, বাবুলের অবৈধ সম্পত্তির বিষয়টি আমরা একটি সূত্রে জানতে পেরেছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

Editor in Chief : Sayed Shakil
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী