সংবাদ শিরোনাম

জেলায় ৯ হাজার হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজির চাষ

জেলায় ৩৪ প্রজাতির সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মাঠে নেমেছে চাষিরা। গত বছরের সফলতা নিয়ে এ বছর ও শীতকালীন সবজি চাষের জোর প্রস্তুতি চলছে। এবার সাড়ে ৯ হাজার হেক্টর জমিতে প্রায় ৯০ হাজার চাষি সবজি চাষে মাঠে নামছে। চলতি অক্টোবর মাস থেকে আগামি মার্চ পর্যন্ত শীতকালিন সবজির মওসুম। মাঠে ধান থাকায় এখনো পুরোদমে সবজি চাষে মনোনিবেশ করতে পারেনি চাষিরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর আকম শাহারিয়ার জানিয়েছেন ইতোমধ্যে ২ হাজার হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। এসব জমিতে আগাম ধান কর্তন হওয়ায় সবজি চাষিরা বাজারে সবজির দামের আশায় আগেভাগে সবজি চাষ করেছে। এ বছর শীতকালীন সবজি চাষ হচ্ছে ৯ হাজার হেক্টর জমিতে। ইতোমধ্যে মূলা, মরিচ, ফুলকপি, বাঁধাকপি , মিষ্টি কুমড়া, লাল শাক, মূলা শাক আগাম চাষ হওয়ায় বাজারে উঠতে শুরু করেছে। নতুন বাজারে আসা এসব শীতকালীন সবজির দাম ও বেশি। তবে নভেম্বরের শেষের দিকে বাজারে পুরোদমে শীতকালীন সবজি পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গতবছর শীতকালীন সবজি চাষ হয় ৮ হাজার ৪শ ৯২ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয় ১ লাখ ১১ হাজার ১৪২ মে.টন সবজি। চলতি মওসুমে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৯ হাজার হেক্টরে প্রায় দেড় লাখ মে. টন সবজি। হেক্টর প্রতি ১০ জন করে প্রায় ৯০ হাজার চাষি শীতকালীন সবজি চাষে মাঠে নেমেছেন।
চলতি মৌসুমে আলু, মিষ্টি আলু, ভুট্টা, আখ, সরিষা, চীনাবাদাম, মসুর, মাসকলাই, ফেলন, অড়হর, পেয়াঁজ, রসুন, ধনিয়া, মরিচ, তরমুজ, খিরা, বাঙ্গী, মুলা, লাল শাক, পালং শাক, বেগুন, টমেটো, ফুলকপি, বাঁধাকপি, সীম, লাউ, বরবটি, ঢ়েড়স, গাজর, মিষ্টিকুমড়া, করলা, ফ্রন্সবিন, বাটিশাকসহ বিভিন্ন প্রজাতির সবজি চাষে নেমেছেন কৃষকরা।


বীজের পর্যাপ্ত সরবরাহ, সারের বাজার উন্মুক্ত তথা সহজপ্রাপ্তির কারণে এবার শীতকালীন ফসলের ফলন বাম্পার হওয়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাজারে বীজপ্রাপ্তি সহজ, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠে চাষিদের নানা বিষয়ে পরামর্শ প্রদানের কারণে গত বছরের চেয়ে এ বছর উৎপাদন আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা কৃষি কর্মকর্তাদের।
রামু ফুলনীর চরের কবির আহমেদ জানান, এ বছর ৪ প্রকারের শীতকালীন সবজি চাষাবাদ করে ২ প্রকারের সবজি ইতোমধ্যে বাজারে বিক্রি করেছি। বাজারে শীতকালীন সবজি এখনো সরবরাহ কম থাকায় ভালো দাম রয়েছে। ঝিলংজা চান্দের পাড়ার ফুলকপি চাষি মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ জানান, গত বছর ১ একর জমিতে ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ করেছিলাম খুব ভাল ফলন হওয়ায় লক্ষাধিক টাকা টিকেছে। আশা করি এ বছর আরো ভালো হবে।

Editor in Chief : Sayed Shakil
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী