Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
সংবাদ শিরোনাম

কক্সবাজারে এইডস রোগী বাড়ার আশঙ্কা

কক্সবাজারে গোপনে বিচরণ করছে রোহিঙ্গা নারীরা। অর্থ জোগাতে পতিতাবৃত্তিতে লিপ্ত তারা। এর মধ্যে ১৪৭ নারী এইডস রোগী সনাক্ত হয়েছে। রোহিঙ্গা নারীদের এইডস প্রতিরোধক জ্ঞান না থাকায় জেলায় এইডস রোগীর সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সিভিল সার্জেন অফিসের তথ্যানুযায়ী, রোহিঙ্গাসহ কক্সবাজারে এইডস রোগীর সংখ্যা ৪১১। এর মধ্যে ২৮৫ রোহিঙ্গার শরীরে এইচআইভি ভাইরাস রয়েছে। তাদের মধ্যে ৯৫ পুরুষ, ১৪৭ নারী। ছেলে শিশু ২২ আর মেয়ে শিশু ২১। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৬ জন। মৃতদের মধ্যে ৬ পুরুষ ৭ নারী এবং ৩ মেয়ে শিশু।

স্থানীয় যুবক মোহাম্মদ রফিক জানান, পুরাতন রোহিঙ্গাদের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা নারীরা পতিতাবৃত্তিতে জড়াচ্ছে। কৌশলে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে শহরে ঢুকছে। নারীরা বোরকা পরিধান করে। দালাল চক্রগুলো এই পদ্ধতি কাজে লাগায়। প্রশাসনে ধরা পড়লেও অনেক সময় সফল হয় দালালরা। এতে এইডস রোগের ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ছে।

আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার মোহাম্মদ জিয়া জানান, হোটেল-মোটেল জোনে পতিতাবৃত্তির কাজ করতে আসে রোহিঙ্গারা। কর্তৃপক্ষ টাকার লোভে কোন বাধা নিয়ম করছেনা। এইডস রোগী পতিতা হলে নিশ্চিত খদ্দের এই রোগে আক্রান্ত হবে।

এনজিও কর্মী জানান, মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলেও শিক্ষার অভাবে কুসংস্কারে নিমজ্জিত তারা। জন্ম নিয়ন্ত্রণ, কনডম ব্যবহার এবং এইডস সর্ম্পকে যা বুঝানো হলেও সচেতন হচ্ছেন না তারা।

শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক জেসমিন আক্তার জানান, রোহিঙ্গা শিশুদের শরীরে এইচআইভি ভাইরাসের খবর কষ্টদায়ক। চিকিৎসার পাশাপাশি শিশুদের নিরাপদে রাখতে হবে। অনেক রোহিঙ্গারা ক্যাম্প থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। এতে এইডস রোগী বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কক্সবাজার মাদক নিরাময় কেন্দ্র নোঙ্গর’র পরিচালক দিদারুল আলম রাশেদ জানান, ১৫ মাসে এইচআইভি ভাইরাস বহনকারী রোহিঙ্গারা এ দেশে আশ্রয় নিয়েছে। অনেকে গোপনে শহরে ঢুকে পড়েছে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে রোহিঙ্গাদের এইচআইভি ভাইরাস পরীক্ষা করা। আক্রান্তদের চিকিৎসা দেয়া।

কক্সবাজার সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর জানান, এইচআইভি সনাক্তকরণ ও চিকিৎসায় উখিয়া এবং কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মেডিকেল সেন্টার রয়েছে। এছাড়া এইডস সর্ম্পকে সচেতনতা বাড়াতে এনজিও সংস্থার ১২ টিম ক্যাম্পগুলোতে কাজ করছে।

Editor in Chief : Sayed Shakil
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী