সংবাদ শিরোনাম

দেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে ব্যয় ১৭৩৪ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক :

ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে প্রধান বিদ্যুৎ গ্রীড শক্তিশালী করতে এ যাবৎকালের বৃহত্তম সঞ্চালন লাইনের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)।

ঢাকার মেঘনাঘাট থেকে চট্রগ্রামের মদুনাঘাট পর্যন্ত ২১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪০০ কেভি ডবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। এ কাজের জন্য আজ বৃহস্পতিবার পিজিসিবির প্রধান কার্যালয়ে চুক্তিপর্বের মধ্য দিয়ে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান কেইসিকে টার্নকি ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়েছে।

লাইনটি চালু হলে ঢাকা-চট্রগ্রাম বিদ্যুতের প্রধান সঞ্চালন লাইন ৪০০ কেভি ভোল্টেজে চলবে। এতে সিস্টেম লস কমানো ও কারিগরি জটিলতার আশঙ্কা হ্রাস পাবে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা সহজতর হবে। বর্তমানে ঢাকা ও চট্রগ্রামের মধ্যে ২৩০ কেভি এবং ১৩২ কেভি লাইনে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা হচ্ছে।

মাতারবাড়িতে নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন শুরু হলে তা মদুনাঘাট হয়ে ঢাকার দিকে সঞ্চালনে এ লাইন ব্যবহৃত হবে। লাইনের দৈর্ঘ্য ও আর্থিক মূল্য বিবেচনায় মেঘনাঘাট-মদুনাঘাট ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইনটি এখন পর্যন্ত পিজিসিবির একক দরপত্রে সম্পাদিত বৃহত্তম সঞ্চালন লাইনের কাজ। যার আর্থিক মূল্য এক হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা (প্রায়)। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা, বাংলাদেশে সরকার ও পিজিসিবি সম্মিলিতভাবে এ কাজে অর্থায়ন করছে। উম্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে সর্বনিন্ম দর দাখিল করে কাজটি পেয়েছে কেইসি।

পিজিসিবির পক্ষে কোম্পানি সচিব মো. আশরাফ হোসেন এবং কেইসির পক্ষে কান্ট্রি হেড কুলদ্বীপ কুমার সিনহা চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তিতে বলা হয়, আগামী ৩৪ মাসের মধ্যে লাইনের কাজ শেষ পিজিসিবির কাছে হস্তান্তর করবে কেইসি। পিজিসিবি গৃহীত ঢাকা-চট্রগ্রাম মেইন পাওয়ার গ্রিড স্ট্রেংথদেনিং প্রজেক্টের আওতায় সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম-আলবেরুনী বলেন, ‘কেইসি এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি সঞ্চালন লাইনের কাজ করেছে। মেঘনাঘাট-মদুনাঘাট সঞ্চালন লাইনটিও যথাসময়ে কাজের উচ্চমান বজায় রেখে শেষ করতে হবে।’

কেইসির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পংকজ কে ট্যান্ডন বলেন, ‘অতীতের কাজের সুনাম বজায় রেখে এ সঞ্চালন লাইনের কাজ সম্পন্ন করতে কেইসি বদ্ধপরিকর।’

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, পিজিসিবির নির্বাহী পরিচালক মো. এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাফায়েত হোসেন ও খোন্দকার মো. আবদুল হাই, প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলী মো. ইয়াকুব এলাহী চৌধুরী, কেইসির চিফ ম্যানেজার কিশোর তালেকার ও দীপক যাদব প্রমুখ।

Editor in Chief : Sayed Shakil
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী