Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
সংবাদ শিরোনাম
ফাইল ছবি

যে কারনে মালয়েশিয়ায় যাত্রা রোহিঙ্গা তরুণীদের

কক্সবাজার ডেস্ক :
পাত্রকে নগদ টাকা দিতে না পেরে বিয়ে হচ্ছে না কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরের শত শত তরুণীর। তাও এক টাকা-দুই টাকা নয়। নিদেন পক্ষে দুই লাখ টাকার ব্যাপার। রোহিঙ্গা বাবা-মায়েরা এ টাকা পাবেন কোথায় ? তাই তরুণীর দল পাড়ি জমাচ্ছে মালয়েশিয়ায়। বিয়ের বাজার মালয়েশিয়ায় বেশ চড়া।

সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রস্তুতিকালে কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূল থেকে ২২ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে বিজিবি।

রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১০ টার দিকে উপজেলা সদরের লম্বরী সাগর উপকূল থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ শিশু, ১০ নারী ও একজন পুরুষ রয়েছে। এরা সবাই উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।


প্রশ্নের জবাবে রোহিঙ্গা তরুণীরাই একদম খোলামেলা ভাবে জানায়-শিবিরে টাকার অভাবে পাত্র মিলছে না। অথচ তাদের বিয়ে করা দরকার। মালয়েশিয়ায় বিয়ের বাজারে তাদের (রোহিঙ্গা তরুণী) চাহিদা বেশী। তাই স্বেচ্ছায় পাড়ি দিচ্ছে মালয়েশিয়ার পথে।

এ পর্যন্ত উদ্ধার করা মালয়েশিয়াগামীদের মধ্যে রোহিঙ্গা কিশোরী ও তরুণীর সংখ্যাই সবেচেয়ে বেশী।
তাদের মধ্যে রোহিঙ্গা তরুনী নুর বাহার এবং হাসিনা আপন খালাত বোন। দুই জনেরই বয়স ১৮/১৯ বছর। নুর বাহার টেকনাফের জাইল্যাঘাটা শিবিরের ডি-৫ নম্বর ব্লকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মোহাম্মদ হোসেন এবং শেড মাঝির নাম জিয়াবুল। আর হাসিনা হচ্ছে টেকনাফ জামতলী শিবিরের ডি-৮ ব্লকের বাসিন্দা। হাসিনার বাবার নাম রহমুতল্লাহ ও শেড মাঝির নাম দীল মোহাম্মদ।
রোহিঙ্গা তরুনী হাসিনা এবং নুর বাহার অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানায়-‘আমাদের মা-বাবার কাছে এমন কোন টাকা নেই যাতে করে পাত্রদের চাহিদা পূরণ করতে পারে। পাত্রকে কমপক্ষে দুই লাখ টাকা করে দিতে হয় বিয়ের জন্য। তাই আমরা স্বেচ্ছায় নিজেদের পথ বেছে নিচ্ছি।’ হাসিনা এবং নুর বাহার বলে, মালয়েশিয়ায় পৌঁছতে পারলেই টাকা এবং পাত্র (স্বামী) পাওয়া যাচ্ছে। এ কারনেই তারা ছুটছে এখন মালয়েশিয়ার পথে। সেখানে উপস্থিত অন্যান্য রোহিঙ্গা তরুণীরাও একই ধরণের কথা বলেছে।
এ ধরণের তথ্য দালালরাই এসব রোহিঙ্গা অবিবাহিত তরুণী-কিশোরীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে পাচারে উৎসাহিত করছে বলে এলাকাবাসীর কাছে ধারণার সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু রোহিঙ্গা তরুনীর দল এলাকাবাসীর ধারণাকে উড়িয়ে দিয়ে চলেছে।

Editor in Chief : Sayed Shakil
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী