সংবাদ শিরোনাম

সমুদ্রপাড়ে পর্যটকদের ভিড়

কক্সবাজার ডেস্ক : টানা তিন দিনের ছুটিতে এখন পর্যটকমুখর কক্সবাজার। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এসেছেন বেড়াতে। পাঁচশ’র বেশি হোটেল, মোটেল, কটেজ আর গেস্ট হাউস এখন পর্যটকে পরিপূর্ণ। আগে থেকে বুক না করায় অনেকেই হোটেলে ঘর পাননি। সারারাত শহরে ও সৈকতে ঘোরাঘুরি করেছেন।

জানা যায়, টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে সাগরের নীল জলরাশি ও প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছেন প্রায় ৫ লাখ পর্যটক। শহরের ৫ শতাধিকের বেশি হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে এখন ‘ঠাঁই নেই’ অবস্থা।

পর্যটকরা সৈকতের লাবনী, সুগন্ধা, ইনানী, হিমছড়িসহ ৬টি পয়েন্ট ছাড়াও ভ্রমণ করেছেন, দরিয়ানগর, হিমছড়ি ঝর্ণা, রামুর বৌদ্ধ বিহার, রেডিয়েন্ট ফিশ ওর্য়াল্ড, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া ও সেন্টমার্টিনসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান। পর্যটকদের সরব উপস্থিতিতে সমুদ্রের পাড় যেন উৎসবে পরিণত হয়েছে। পর্যটকদের সাড়া পেয়ে খুশি পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

হোটেল ব্যবসায়ীরা জানান, হোটেলের ধারণ ক্ষমতার বাইরে পর্যটক আসায় অনেককে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম বলেন, ‘একটি হোটেলেও কক্ষ খালি নেই। রুম সংকটে অনেক পর্যটককে ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে।’

তবে ছুটির আগে থেকেই যারা রুম বুকিং দিয়ে রেখেছিলেন তারা স্বস্তিতে আছেন। ঢাকা থেকে আসা রুমা- শাকিল দম্পতি বলেন, ‘এ প্রথম কক্সবাজার বেড়াতে আসলাম। খুবই আনন্দ করছি। দুইজনই খুব ভালভাবে উপভোগ করছি।’

কিন্তু রুম না পেয়ে হতাশ টাঙ্গাইল থেকে আসা রিয়াজুল আলম। তিনি বলেন, ‘আগে রুম বুকিং দেয়নি। জানতাম না এত মানুষ কক্সবাজার আসবে। সকাল থেকে অনেক চেষ্টা করেছি। কোথাও রুম পাচ্ছি না।’

তিনদিনের এই ছুটিতে ৫ লাখের মতো পর্যটক হতে পারে বলছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। এদিকে নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘সৈকতের ১১ টি পয়েন্টজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। যে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।’

Editor in Chief : Sayed Shakil
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী