সংবাদ শিরোনাম

মানুষ নিরুপায় হয়ে হাসপাতালে যায়

ডেইলি কক্সবাজার : কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীরা হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হয়ে চলেছেন। মানুষ নিরুপায় হয়ে হাসপাতালে যায়, তখন চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীরা রোগীর মনে দেবতার আসনে অধিষ্ঠিত হয়।

গত ২২ ফেব্রুয়ারী সদর হাসপাতালে পেটে প্রচুর ব্যাথা,বমি,ডায়রিয়ার অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান কক্সবাজার পৌরসভার সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ইয়াসমিন আকতার। সদর হাসপাতালে জরুরী বিভাগে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পাঁচতলায় যান বলে পাঠিয়ে দেন। শুক্রবার বলে লিফট বন্ধ তাই নরক যন্ত্রনা নিয়ে নিজেই পায়ে হেটে ৫ম তলায় যান।

তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হয়েও হাসপাতালে ফ্লোরে জায়গা হয়। পরে বিভিন্ন তদবিরে একটা নোংরা সিটের ব্যবস্থা হয়।চাপের মুখে একজন ডাক্তার গিয়ে বেশ কিছু পরিক্ষা নিরিক্ষা করতে বলেন। তবে অন্য হাসপাতাল থেকে। সরকারী হাসপাতালে ব্যবস্থা নেই।

বেসরকারী হাসপাতল থেকে রিপোর্ট হাতে পেতে তিন ঘন্টার অধিক সময় লেগে যায়। ততক্ষণে রোগীর অবস্থা কাহিল।

খবর পেয়ে প্যানেল মেয়র শাহেনা আকতার পাখি দেখতে যান। সহকর্মীর এমন করুনদশা সহ্য করতে না পেরে কাউন্সিলর ইয়াসমিনকে অন্যত্র নিয়ে চিকিৎসা করান।

এ ব্যপারে কাউন্সিলর শাহেনা আকতার পাখি জানান, নিজের প্রতিই এখন মায়া হয়। আমরা সারাদিন মানুষের সেবা করে থাকি। আমাদের সেবার বেলায় চরম অবহেলা দেখে প্রচন্ড কষ্ট পাই।

তিনি আরো বলেন, আমি তো নিজে দেখেছি এবং আমারা কাউন্সিলর হয়ে মাটিতে নোংরা ভাবে থাকতে হয় এ অবস্থা, ভাবছি সাধারণ জনগনের কি অবস্থা। কতৃপক্ষ নজর দিন। না হয় আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হব।

ভুক্তভোগী কাউন্সিলর ইয়াসমিন আকতার বলেন, গতকাল শুক্রবার পেটে প্রচুর ব্যাথা,বমি,ডায়রিয়া হয়। তাই সদর হাসপাতালে যাই প্রথমে ইমার্জেন্সীতে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার পাঁচতলায় লিখে দেন। শুক্রবার বলে লিফট বন্ধ থাকায় কোন রকম উঠে আদা ঘন্টা পর্যন্ত পরীক্ষা করাবেন কিনা এটা সেটা করতে করতে এক প্রকার ওদেরকে বাধ্য করে কোন রকম চিকিৎসা শুরু করি। আমাকে বললো ফ্লুরে দুজন করে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হবে, অনেক রিকোয়েস্টএ একটা সিটের ব্যবস্থা করি। উপর মহলের একটু তদবিরে একজন ডাক্তার এসে কিছু প্রেসক্রিপশন লিখে দিলেন।কিছুক্ষণ পর আবার এসে বলেন কিছু পরীক্ষা আছে বাহিরের থেকে করিয়ে আনেন এখন তখনো কিন্তু আমি অনেক অসুস্থ এরপরও পাচতলা সিড়ি বেয়ে এসে অন্য হাসপাতালে হেটে গিয়ে পরীক্ষা করিয়ে আনতে প্রায় তিনটা হয়।এসে আবারো পাঁচতলায় উঠে বেডে শুয়ে কিছুক্ষণ পর গায়ে জ্বর আসায় তিনবার নার্স ডাকার পরও কোন সাড়া পাইনি উল্টো বললো ডিউটি ডাক্তারের রুমে যান ফাইল নিয়ে।

তিনি আরো বলেন, আমি কাউন্সিলর হয়ে সেবা পাচ্ছি না সাধারণ মানুষ কত কষ্টের শিকার হয়। ভাবতেই গা শিউরে উঠে।

Editor in Chief : Sayed Shakil
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী