Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
সংবাদ শিরোনাম

কেবিনেট সেক্রেটারি শফিউল আলম সততা যার পুঁজি

আমলাতন্ত্রের এক নম্বর ব্যক্তি ইকোনমি ক্লাসেই বসেন, সঙ্গে হাত ব্যাগ টানার জন্য কেউ নেই

কক্সবাজার ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সততা, লাইফ স্টাইল , জীবন যাপন রীতি নিয়ে মিডিয়ায় লেখালেখি হয় না। হওয়া দরকার । কেননা, এর মাধ্যমে শেখার আছে। প্রচুর সৎ কর্মকর্তা আছেন। ঢাকার পল্টনে অনুবাদ কেন্দ্রগুলোতে গেলে দেখা যায়, সরকারের সাবেক অনেক সচিব, যুগ্মসচিব , উপসচিব অনুবাদ করার কাজ নিয়ে সংসার চালাচ্ছেন।
আমলাদের দূর্নীতি , নানারকম অদক্ষতা, বিতর্কিত কর্মকান্ড নিয়ে মিডিয়া থাকে ভরপুর। তাতে ভুল মেসেজ যায় দেশে বিদেশে। বিশেষ করে পরবর্তী প্রজন্মে। পরবর্তী প্রজন্ম শেখে, পূর্ব প্রজন্ম ছিল দূর্নীতির। তাতে তারাও উস্কানি পায় অমন কাজের। 
ভাল খবরটাও লেখা উচিত। সেটাও যে শিক্ষণীয় ও অনুসরনীয়।

বিশিষ্ট লেখক কলামিস্ট তার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে লিখেছেন বাংলাদেশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা মন্ত্রী পরিষদ সচিব · মোহাম্মদ শফিউল আলমকে নিয়ে। 
১.কাল ঢাকা থেকে ফিরছি।
একটু পর প্লেনে উঠলেন কেবিনেট সেক্রেটারি মোহাম্মদ শফিউল আলম স্যার।
বাংলাদেশের আমলাতন্ত্রের এক নম্বর ব্যক্তি।
অতি সাধারণ একজন মানুষ।
কোন আড়ম্বর নেই।জৌলুস নেই। প্রটোকলের নামে আগে পিছে কেউ ঘুরঘুর করছে না।
স্যার ইকোনমি ক্লাশের সাধারণ একটি আসনে আমার কাছেই বসলেন।(প্লেনে বিজনেস ক্লাস ছিল)
প্লেন চট্টগ্রাম নামলো।
সাধারণ এ মানুষটির জন্য কেউ দাঁড়িয়ে নেই। তাঁর হাত ব্যাগ টানার জন্য কেউ নেই।
তিনি আর দশজনের সাথে এয়ারলাইনের কমন গাড়িতে বসে টার্মিনাল এলেন।
কোন শোরগোল নেই। ছুটোছুটি নেই!!
২. কিছুদিন আগে একই দৃশ্য দেখেছিলাম বাংলাদেশের কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল,তিনি সে সময় অর্থ সচিব ছিলেন – মুসলিম চৌধুরী স্যারের বেলায়।তিনি প্লেনে উঠলেন। আসন নিলেন পিছন দিকে।(ভি আই পিরা সব সময় সামনের আসনে বসেন,তার মানে স্যার এ সুবিধা নেন নি।)
চট্টগ্রাম পৌঁছে আমার সাথে কথা বলতে বলতে হেঁটে টার্মিনাল এলেন। অনেক চেষ্টা করেও তাঁর হাতের দুটো ব্যাগের একটি বওয়ার অনুমতি পেলাম না। সিনিয়রের প্রতি এ ভদ্রতা প্রকাশের সুযোগও স্যার দিলেন না।
তারপর সাধারণ লাউঞ্জ দিয়ে বেরিয়ে একটি অতি সাধারণ গাড়িতে উঠে চলে গেলেন।
কোন উচ্চবাচ্য নেই, জুনিয়রদের ছুটে আসা,ফুল-মুল দেয়া নেই।

দু’জনকে দেখে মনে হলো, অবসরে যাওয়ার পর এরা এক মূহুর্তের জন্যও ‘সব হারানোর’ বেদনায় ভুগবেন না।
সাধারণের মাঝে সাধারণ হয়ে বরং তাঁরা অবসর জীবন উপভোগ করবেন।

Editor in Chief : Sayed Shakil
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী