Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
সংবাদ শিরোনাম

কম্বোডিয়াকে হারিয়ে ছন্দে ফিরল বাংলাদেশ

দীর্ঘ পাঁচ মাস পরে কম্বোডিয়া ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ জাতীয় দল। এই পাঁচ মাসে দেশের ঘরোয়া ফুটবলে ব্যস্ত থাকা ফুটবলারদের নতুন চ্যালেঞ্জ ছিল কম্বোডিয়া। লম্বা বিরতির পর মাঠে নেমে স্বাগতিকদের ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

ম্যাচের ৮৩ মিনিটে জয়সূচক অসাধারণ গোলটি করেন পরিবর্তিত খেলোয়াড় রবিউল হাসান।

ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ২০ ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ। সর্বশেষ প্রকাশিত র‌্যাংকিং অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ১৯২ এবং কম্বোডিয়ার অবস্থান ১৭২তম স্থানে। র‌্যাংকিং হিসেব করলেন নিশ্চিত এগিয়ে কম্বোডিয়ানরা।

তারওপর, তারা খেলেছে নিজেদের মাঠে। বাংলাদেশে এখনও শীত পুরোপুরি বিদায় নেয়নি। সকাল-সন্ধ্যা শীত শীত একটা পরিবেশ। এখান থেকে নমপেনে গিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলাররা পড়েছে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে। নমপেনের তাপমাত্রা ৩৫-৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। মাঠটাও আর্টিফিসিয়াল টার্ফের।

আগের দিনও বাংলাদেশ দলের ফুটবলারদের নমপেনে অনুশীলন করতে বেশ কষ্ট করতে হয়েছে। আজও প্রচণ্ড গরমের মধ্যে খেলতে হয়েছে জামাল ভূঁইয়াদের। কিন্তু পাঁচ মাস পর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমে নিজেদের যেভাবে উজ্জীবিত করে তুলেছিল বাংলাদেশ দলের ফুটবলাররা, তা ছিল অসাধারণ।

ম্যাচের প্রথম থেকেই কম্বোডিয়ার জালে ছিল বাংলাদেশ দলের ফুটবলারদের আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণের পসরা। বার বার আক্রমণ করেও অবশ্য গোল পাচ্ছিল না বাংলাদেশ। কম্বোডিয়ার গোলরক্ষকই ছিল যেন বাংলাদেশের সামনে বড় প্রতিপক্ষ। কিন্তু ৮৩ মিনিটে আর দলকে রক্ষা করতে পারেননি স্বাগতিকদের গোলরক্ষক।

পাল্টা আক্রমণে মাঝ মাঠ থেকে লেফট উইংয়ে বল পান ১৬ নম্বর জার্সিধারী, পরিবর্তিত ফুটবলার মাহবুবুর রহমান সুফিল। নাবীব নেওয়াজ জীবনের পরিবর্তে তাকে মাঠে নামান কোচ জেমি ডে। লেফট উইং ধরে বল নিয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসেন সুফিল। কম্বোডিয়ান এক ডিফেন্ডার তাকে থামানোর জন্য শরীরের সঙ্গে লেগে থাকলেও সুফিল দারুণ দক্ষতায় বক্সের বাম পাশে এগিয়ে আসা মাহবুবুর রহমানকে পাস দেন।

চলমান বলে বাম পায়ের টোকা দেন মাহবুবুর রহমান। সেটিই শেষ পর্যন্ত ফাঁকি দিলো কম্বোডিয়ার গোলরক্ষককে। তার মাথা এবং কাঁধের ফাঁক দিয়ে বল গিয়ে প্রবেশ করল কম্বোডিয়ার জালে। এই গোলটিই শেষ পর্যন্ত হয়ে রইল জয় নির্ধারক হিসেবে।

কম্বোডিয়ার সঙ্গে আগের তিন সাক্ষাতে দুবারই জিতেছে বাংলাদেশ। ২০০৬ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ জেতে ২-১ গোলে। পরের বছর দিল্লিতে নেহরু কাপে ১-১ গোলে ড্র হয় ম্যাচ। আর ২০০৯ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে বাংলাদেশ জিতেছিল ১-০ গোলে। এবার নিয়ে চার সাক্ষাতে তিন বারই জিতল বাংলাদেশ।

Editor in Chief : Sayed Shakil
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী