Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
সংবাদ শিরোনাম

সাইবার অপরাধ দমনে আইন ও সচেতনতা

সাইবার অপরাধ এমন একটি অপরাধ, যা কম্পিউটার এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পর্কিত। সাইবার অপরাধের ধরন, জারিকৃত আইন এবং এর সুষ্ঠু সমাধান নিয়ে সুপ্রিমকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী সিরাজুল করিম রবি বলেন, সাইবার ক্রাইম শব্দটির সঙ্গে পরিচিত বা অপরিচিত, প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এর শিকার হচ্ছে। সাইবার ক্রাইম বিশ্বের কোনো নতুন ধরনের অপরাধ নয়।

ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্প্যামিং ও জাংক মেইল, পর্নোগ্রাফি, হ্যাকিং, ড্রাগ ব্যবসা, সাইবার ক্রাইমে নারীর নির্যাতন, তথ্য বা ছবি চুরি, বিকৃতি, জালিয়াতি, ব্ল্যাকমেইল, মানি লন্ডারিং ইত্যাদির মতো অপরাধগুলো করা হলে তা সাইবার ক্রাইম হিসেবে ধরা হয়। সহজ ভাষায় বলা যায়, ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে তাকেই সাইবার ক্রাইম বলে।

আমাদের দেশে অনেকেই বিভিন্নভাবে সাইবার ক্রাইমের শিকার হচ্ছেন। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে নেওয়া হচ্ছে, পরে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করছে। আর উল্লেখযোগ্য হারে মেয়েরা সাইবার ক্রাইমের শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ফেসবুক বা অন্য কোনো সামাজিক মাধ্যমে ফেইক আইডি খোলা, মেসেজিংয়ের মাধ্যমে যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইল করা বিভিন্নভাবে এর মাধ্যমে তারা প্রতারণার শিকার হচ্ছে একটু সচেতনতার অভাবে। বাংলাদেশে সাইবার ক্রাইম ও এ-সংক্রান্ত অপরাধগুলো দমনের আইন প্রণয়ন করা আছে।

কিন্তু আইনগুলো অনেকেরই অজানা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬তে এ-সংক্রান্ত বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৬ ধারায় বলা আছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি জনসাধারণের বা কোনো ব্যক্তির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে বা ক্ষতি হবে মর্মে জানা সত্ত্বেও এমন কোনো কাজ করেন, যার ফলে কোনো কম্পিউটার রিসোর্সের কোনো তথ্যবিনাশ, বাতিল বা পরিবর্তিত হয় বা তার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাস পায় বা অন্য কোনোভাবে একে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এমন কোনো কম্পিউটার সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করার মাধ্যমে এর ক্ষতিসাধন করেন, কিন্তু তিনি মালিক বা দখলদার নন, তা হলে তাঁর এই কাজ হবে একটি হ্যাকিং অপরাধ।

কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং অপরাধ করলে তিনি অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদ-ে দ-িত হবেন। এক কোটি টাকা অর্থদ-ে দ-িত হতে পারেন বা উভয় দ- দেওয়া যেতে পারে।’ তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় বলা আছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেউ পড়লে বা শুনলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হতে উদ্বুদ্ধ হতে পারে বা যার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র বা ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উসকানি প্রদান করা হয়, তা হলে তার এই কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।’

তিনি আরও বলেন, সাইবার ক্রাইম দমনে প্রথমে নিজেকে সচেতন হতে হবে। সামাজিক মাধ্যমসহ কম্পিউটারে ব্যবহৃত নিজের ব্যক্তিগত তথ্যগুলোর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রাখতে হবে। এর পরও কোনোভাবে সাইবার ক্রাইমের শিকার হলে আইনের শরণাপন্ন হতে হবে।শেয়ার ফেসবুক

Editor in Chief : Sayed Shakil
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী