সংবাদ শিরোনাম

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেনের সীমা বাড়ল

মোবাইলে ব্যাংকিং বা আর্থিক সেবার (এমএফএস) লেনদেন সীমা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে। এখন আগের চেয়ে দ্বিগুণ টাকা জমা বা ক্যাশ ইন করা যাবে। উত্তোলন করা যাবে আগের চেয়ে আড়াই গুণ।

রোববার (১৯ মে) বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেনের এ নতুন সীমা নির্ধারণ করে দেয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) একটি ক্রম বিকাশমান সেবা, যা বিগত কয়েক বছর যাবৎ আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। দেশের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির সাথে তাল মিলিয়ে এ সেবা বর্তমানে নতুন খাত সম্প্রসারণে যেমন, ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে আগত রেমিটেন্স বিতরণ, ই-কমার্স, ক্ষুদ্র ব্যবসা, বেতন বিতরণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

পেমেন্ট ইকো সিস্টেম-এর পরিবর্তিত প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এমএফএস-এর সুশৃঙ্খল ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকল্পে এমএফএসের ব্যক্তি হিসাবের মাধ্যমে লেনদেনের সীমা পুনর্নির্ধারণ করা হল।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এখন আগের চেয়ে দ্বিগুণ টাকা জমা বা ক্যাশ ইন করা যাবে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে। আর উত্তোলন করা যাবে আগের চেয়ে আড়াই গুণ। একইভাবে এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে অর্থ স্থানান্তর সুবিধাও আড়াই গুণ বাড়ানো হয়েছে।

এখন একজন গ্রাহক তার অ্যাকাউন্টে দিনে পাঁচ বারে ৩০ হাজার টাকা ক্যাশ ইন বা জমা করতে পারবেন। আর মাসে ২৫ বারে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা ক্যাশ ইন করা যাবে। এতদিন দিনে দুই বারে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা জমা করতে পারতেন একজন গ্রাহক।

একই সঙ্গে দিনে সর্বোচ্চ পাঁচবারে ২৫ হাজার টাকা তোলা বা ক্যাশ আউট করা যাবে। মাসে ২০ বারে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করা যাবে। এতদিন দিনে দুই বারে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা তোলা বা ক্যাশ আউট করা যেত। মাসে ১০ বারে ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন সুবিধা ছিল।

ডাক বিভাগের ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর মাধ্যমে দৈনিক ৫০ হাজার টাকা লেনদেন করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতি মাসে ৫ লাখ টাকা লেনদেন সুযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ নিয়ে বারবার আপত্তি জানালেও সরকার তাতে সায় দেয়নি। এর প্রেক্ষিতেই এমএফএসের লেনদেন সীমা বাড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে ডিজিটাল হুন্ডি বিতরণের প্রমাণ পাওয়ায় ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে লেনদেন সীমা কমিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রায় দেড় বছর পর আবার সীমা বাড়ানো হলো।

Editor in Chief : Sayed Shakil
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী