সংবাদ শিরোনাম

মুক্তির অপেক্ষায় বাঁকখালী

বাঁকখালী নদী সমুদ্র তীরবর্তী পর্যটন শহর কক্সবাজারের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় দখল করেছে প্রভাবশালীরা। এতে তারা মাছের আড়ৎ, শুঁটকিমহাল, বরফকল, করাতকল, কারখানাসহ বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তুলেছেন। তবে অনেক তৎপরতার পরও মুক্ত হচ্ছে না নদীর দখল।

শহরের পেশকার পাড়ার বেড়িবাঁধ ভরাট করে বাড়ির জন্য বিভিন্ন আকারের প্লট বানানোর কাজ চলছে। কোনো প্লট চার কাঠার আবার কোনোটি পাঁচ কাঠার। কয়েকটি প্লটে ভবন নির্মাণ চলছে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন পাহাড় থেকে মাটি এনে ভরাট হচ্ছে এসব প্লট। দেখে বোঝার উপায় নেই যে, এখানে এক সময় নদী ছিল। প্লট ও স্থাপনা রক্ষায় নদীর জোয়ারের পানি ঠেকাতে মাটি ফেলে বাঁধ নির্মাণ করেছে দখলদাররা। নদীর স্রোতধারার ২০ মিটারের মধ্যে চারুকা আর্টের মালিক নজরুলের নেতৃত্বে একটি ভবন নির্মাণ হচ্ছে। তাছাড়া নজরুলের নেতৃত্বে আশপাশে সোহেল, দেলোয়ার হোসেন, শাহীনা আক্তার, শহরের হকার মার্কেটের ব্যবসায়ী জাকের হোসেন, এন্ডারসন সড়কের ব্যবসায়ী সিরাজুল হক ভবন নির্মাণ ও প্লট বানানোর কাজ করছেন। এরই মধ্যে প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি ভবন নির্মাণ শেষ হয়েছে। ভবন নির্মাণের জন্য কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) বা পরবেশ অধিদফতরের অনুমোদন নেয়া হয়নি।

স্থাপনা নির্মাণকারী নজরুল বলেন, অনেকের দেখাদেখি ভবন তৈরি করছি। এ পর্যন্ত কেউ বাধা দেয়নি।

তার মতো সোহেল, জাকের, সিরাজুল হক, দেলোয়ার হোসেন একই কথা বলেন।

কক্সবাজার সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শাহরিয়ার বলেন, পেশকার পাড়ায় যেসব প্লট ভরাট ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে তা শিগগিরই বন্ধ করা হবে।

সদর ইউএনও এএইচএম মাহফুজুর রহমান বলেন, বার বার অভিযান চালানোর পরও দখলদাররা থামছে না। নতুন করে অভিযান চালিয়ে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

কক্সবাজারের ডিসি মো. কামাল হোসেন বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। বাঁকখালীতে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।
এ বিষয়ে কউক চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) ফোরকান আহমেদ বলেন, বাঁকখালী নদীর বুকে বা তীরে ভবন নির্মাণের জন্য কাউকে অনুমতি দেয়ার প্রশ্নই আসে না। অনুসন্ধান করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Editor in Chief : Sayed Shakil
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী