সংবাদ শিরোনাম

যেখানে বৃষ্টির বদলে আকাশ থেকে ডায়মন্ড ঝরে!

আমাদের পৃথিবীতে ডায়মন্ড অতি দুর্লভ একটি বস্তু। তবে আমাদের সৌরজগতে এমন দুটি গ্রহ আছে যেখানে সচরাচরই এই অতি দুর্লভ বস্তুটির বৃষ্টিপাত ঘটে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট একটি প্রতিবেদনে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা সফলভাবে নেপচুন এবং ইউরেনাসে ডায়মন্ডের বৃষ্টিপাতের বিষয়টি প্রমাণ করতে পেরেছে।

শিক্ষার্থীদের বরাত দিয়ে দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট জানায়, স্ট্যানফোর্ডের শিক্ষার্থীরা নেপচুন এবং ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলের অনুরুপ একটি বায়ুমণ্ডল সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। তাঁরা এই বায়ুমণ্ডলে একটি বিশেষ আলোকরশ্মির সাহায্যে এই তত্ত্বটিকে প্রমাণ করতে পেরেছে।

জার্মানির এক বিজ্ঞানী ডমিনিক ক্রস এক সাক্ষাৎকারে কসমস পত্রিকাকে বলেন, ‘আকাশ থেকে ডায়মন্ড পড়ার বিষয়টি বিজ্ঞানীরা আগেও ধারণা করেছিল, কিন্তু এই বিষয়টিকে কেউ প্রমাণ করতে পারেনি। ‘

তিনি আরও বলেন, ‘বিজ্ঞানীরা এই তত্ত্বটিকে প্রমাণ করার জন্যে বহুবার চেষ্টা করেছে, তবে প্রতিবারই এই দুই গ্রহের মত অনুরূপ বায়ুমণ্ডল সৃষ্টি না করতে পারায় ব্যর্থ হয়েছে। তবে এবার সকল বাঁধা অতিক্রম করে আমরা এই অকল্পনীয় বায়ুমণ্ডল সৃষ্টি করতে পেরেছি। এই বায়ুমণ্ডলের বায়ুচাপ পৃথিবীর স্বাভাবিক বায়ুচাপের চেয়েও ১৫ থেকে ১৭ গুন বেশি।‘

এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীরা জানান, আকাশ থেকে ডায়মন্ডের বৃষ্টিপাত হওয়ার জন্য বায়ুমণ্ডলে একটি বিশেষ অনুপাত অনুযায়ী হাইড্রোজেন, হিলিয়াম এবং মিথেনর মিশ্রণ থাকা প্রয়োজন, এবং নেপচুন এবং ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলে এই বিশেষ অনুপাতেই এই গ্যাসগুলো রয়েছে।

তাঁরা আরও জানান, এই দুই গ্রহের যথেষ্ট পরিমাণ কার্বন থাকাতে, এবং প্রচণ্ড বায়ুচাপ থাকাতে এই কার্বনগুলো ডায়মন্ডে পরিনত হয় এবং বৃষ্টি হয়ে আকাশ থেকে ঝরে পরে। সূত্র : দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট ইউকে

Editor- Sayed Mohammad SHAKIL.
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী