সংবাদ শিরোনাম

রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিতাড়নের প্রক্রিয়া দীর্ঘদিনের। ২০০৯ সালে হংকং-এ মিয়ানমারের কনসাল জেনারেলের একটি আলোচিত মন্তব্য তখন গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়। তিনি রোহিঙ্গাদের ‌‌`ugly as ogres` বা রাসের মত কদর্য আখ্যায়িত করে বলেছিলেন, তারা মিয়ানমারের কেউ না।

২০১৫ সালের মিয়ানমারের সাধারণ নির্বাচনে প্রায় ছয় হাজারের বেশি প্রার্থীর মধ্যে মুসলিম প্রার্থী ছিল মাত্র ২৮ জন। অন্যদিকে বৌদ্ধ ছিল ৫১৩০, খ্রীষ্টান ৯০৩ জন। ওই সময় ‘মা বা থা’ নামে মুসলিম বিরোধী একটি সংগঠন মিয়ানমারের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর উপর কোন মুসলিম প্রার্থী না দিতে চাপ সৃষ্টি করে। এছাড়া সেদেশের নির্বাচন কমিশন প্রায় শতাধিক মুসলিম প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল করে এই যুক্তিতে যে, তাদের পুর্বপুরুষের মিয়ানমারের নাগরিকত্বের বিষয়টি স্পষ্ট নয়।

বহুল আলোচিত ‘৯৬৯ মুভমেন্ট’ সেদেশ থেকে মুসলিমদের বিতাড়নের জন্য দীর্ঘদিন থেকে সক্রিয়। ২০০১ সালে এই সংগঠনটির প্রাথমিক ধারণা বা চিন্তা-ভাবনা প্রকাশ পেলেও এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২০১২ সালের ৩০ অক্টোবর বৌদ্ধদের অন্যতম উৎসব থাডিং উট-এর পূর্ণিমার রাতে। এর নেতৃত্বে রয়েছেন মিয়ানমারের উগ্রবাদী বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতা অশ্বীন উইরাথু। জানা যায়, সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়কে সংগঠিত করে মুসলিম বিদ্বেষী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে অশ্বীন উইরাথুর মুসলিম বিদ্বেষী অনেক বক্তব্য গণমাধ্যমে সমালোচিত হয়।

তার একটি হচ্ছে, ‘ইউ ক্যান বি ফুল অব কাইন্ডনেস অ্যান্ড লাভ, বাট ইউ ক্যাননট স্লিপ নেক্সট এ ম্যাড ডগ।’ বহুল প্রচারিত আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিন টাইমস-এর ২০১৩ সালের জুন সংখ্যায় অশ্বীন উইরাথুকে নিয়ে `দি ফেইস অব বুড্ডিস্ট টেরর` শিরোনামে একটি প্রচ্ছদ প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এতে তাকে ‘বুড্ডিস্ট বিন লাদেন’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

Editor in Chief : Sayed Shakil
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী