সংবাদ শিরোনাম

বৃষ্টিতে রোহিঙ্গা শিবিরে পাহাড় ধসের আশঙ্কা

বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের আশংকায় শঙ্কিত কক্সবাজারের টেকনাফ-উখিয়ার বিভিন্ন পাহাড়ে অবস্থান নেয়া রোহিঙ্গারা। এখানকার ৩০টির বেশি পাহাড়ের গাছ এবং বন জঙ্গল সাফ করে বসতি স্থাপন করে আছে নতুন করে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আসা চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা।

বৃষ্টির কারণে পাহাড়গুলোর যেমন ভেঙে পড়ছে, তেমনি পাহাড়ি ঢলেও পাহাড়গুলোর ধসের আশংকা আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

কক্সবাজারে বৃষ্টি যেন থামছেই না। গত ক’দিন ধরে নিয়মিত বিরতিতে দিনের পুরোভাগেই চলছে প্রবল বর্ষণ। আর রাতে বৃষ্টির মাত্রা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এ অবস্থায় দেখা দিয়েছে পাহাড় ধসের আশংকা। টেকনাফ এবং উখিয়ার অন্তত ৩০টি পাহাড়ে অবস্থান নিয়ে আছে রোহিঙ্গারা।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবসন প্রতিরোধ কমিটি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহমুদুল হক চৌধুরী বলেন, ‘যেকোন উপায়ে যেন পাহাড়ধ্বস না ঘটে, তাদের এমন জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।

২০০৯ সাল থেকে গত আট বছরে এখানে পাহাড় ধসে মৃত্যু হয়েছে অন্তত দেড়শ জনের। গাছ ও বনজঙ্গল কেটে ফেলায় আবারো পাহাড় ধসের আশংকার কথা জানালেন এ পরিবেশবিদ।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদ সভাপতি দীপক কুমার শর্মা বলেন, ‘বালুখালির যে পাহাড় আছে তা বালুর পাহাড়, যেকোন মূহুর্তে ধ্বসে পড়তে পারে।’

বন বিভাগের পাহাড়গুলোর গাছ কেটে এবং জঙ্গল পরিষ্কার করেই বাঁশ ও পলিথিন দিয়ে তৈরি করা হয়েছে রোহিঙ্গাদের বসতি। যখন প্রবল বর্ষণ শুরু হয় তখন পাহাড় ধসের আশংকায় ভীত হয়ে পড়ে রোহিঙ্গারা।

উখিয়ার কতুপালং এবং বালুখালী শরণার্থী শিবিরের মধ্যবর্তী ২ হাজার একর পাহাড়ি অঞ্চলেই নতুন আসা রোহিঙ্গাদের বসতির ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে সরকার।

কক্সবাজার উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন বলেন, ‘আমরা মাটি পরীক্ষা করে সব ধরণের ঝুঁকির সম্ভাবনা মাথায় রেখেই ক্যাম্প নির্মাণ করছি। ফলে তাদের এখানে বসবাসে কোন অসুবিধা নেই।’

মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের অধিকাংশই উখিয়ার কতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, টেকনাফের হ্নীলা, বান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন পাহাড়ে অস্থায়ী বসতি স্থাপন করে আছে।

Editor- Sayed Mohammad SHAKIL.
Office: Evan plaza, sador model thana road, cox’sbazar-4700. Email: dailycoxsbazar@gmail.com / phone: 01819099070
অনুমতি ছাড়া অথবা তথ্যসূত্র উল্লেখ না করে এই ওয়েব সাইট-এর কোন অংশ, লেখা বা ছবি নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনী